বিজ্ঞাপন
সোমবার (৪ মে) উপজেলার রামদিয়া গ্রামের ভুক্তভোগী রাকিবুল ইসলাম মিটু বাদী হয়ে গোপালগঞ্জ আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার আসামিরা হলেন দলিল লেখক শাহ আলমগীর (৫৫), শুভ মোল্যা (৩০) ও তার মাতা রিনু বেগম (৬০)। অভিযুক্তদের সবার বাড়ি কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া গ্রামে। বাদীপক্ষের আইনজীবী আজগার আলী খান মামলার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, বাদীর পিতা আবুল হাসেম মোল্যা দীর্ঘ দিন ধরে গুরুতর অসুস্থ ও শয্যাশায়ী ছিলেন। এই সুযোগে গত ২০২৪ সালের ১২ জুন জমি নামজারির (মিউটেশন) কথা বলে তাকে কাশিয়ানী সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে নিয়ে যান তার আপন ভ্রাতৃবধূ রিনু বেগম ও ভাতিজা শুভ মোল্যা। সেখানে হাসেম মোল্যার নামে রেকর্ডকৃত রামদিয়া মৌজার ১৮.৫ শতাংশ জমি প্রতারণার মাধ্যমে 'হেবা দলিল' মূলে লিখে নেওয়া হয়।
ঘটনার সময় মামলার বাদী রাকিবুল ইসলাম মিটু চাকরির সুবাদে সৌদি আরবে অবস্থান করছিলেন। অথচ ওই দলিলে তার স্বাক্ষর জাল করে তাকে সাক্ষী হিসেবে দেখানো হয়েছে বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এই জালিয়াতির কাজে দলিল লেখক শাহ আলমগীর সরাসরি সহযোগিতা করেছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বাদী বিদেশ থেকে ফিরে দলিলের নকল উত্তোলন করে জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হন এবং আদালতের দ্বারস্থ হন।
এই বিষয়ে অভিযুক্ত দলিল লেখক শাহ আলমগীর মুঠোফোনে জানান, মামলা সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। তবে তিনি দাবি করেন, সে সময় তৎকালীন সাব-রেজিস্ট্রার শাহ আরিফ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত থাকায় তার সরকারি বাসায় গিয়ে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছিল। মামলার অন্য অভিযুক্তদের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...