বিজ্ঞাপন
ইতালিতে পোস্টরাল হেলথ কেয়ারে পিএইচডি ডিগ্রিধারী ডক্টর ফাদার লিনটু ফ্রান্সিস ডি কোস্টার একক উদ্যোগে এই আধুনিক হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীরা এখানে স্বল্প খরচে উন্নত মানের চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন। কোনো বিশেষ গোষ্ঠী নয়, বরং ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের জন্য এই হাসপাতালের দুয়ার উন্মুক্ত।
সেন্ট জন ভিয়ানী হাসপাতালে চক্ষু ও ডেন্টাল বিভাগের পাশাপাশি আইসিইউসহ বিভিন্ন আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা রয়েছে। অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক যন্ত্রপাতির সমন্বয়ে গঠিত এই হাসপাতালটি রোগীদের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি নিশ্চিত করতেও সচেষ্ট। শহরের কোলাহলের মাঝেও এর শান্ত পরিবেশ রোগীদের দ্রুত সুস্থতায় সহায়ক ভূমিকা রাখছে।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ডক্টর ফাদার লিনটু ফ্রান্সিস ডি কোস্টা জানান, দিন দিন রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় সেবার পরিধি আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এখানে একটি ১০ তলা ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে ফিজিওথেরাপি ও ডেন্টাল সেন্টারে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি সংযোজন এবং দক্ষ চিকিৎসক নিয়োগের মাধ্যমে সেবার মানকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে।
হাসপাতালের ডেন্টাল বিভাগের একজন চিকিৎসক জানান, এখানকার কাজের পরিবেশ অত্যন্ত ইতিবাচক ও সহযোগিতাপূর্ণ। উন্নত পরিবেশের কারণে চিকিৎসকরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রতিটি রোগীর সমস্যা পর্যবেক্ষণ ও সমাধান করতে পারছেন।
অলাভজনক এই চিকিৎসালয়টি বর্তমানে ঢাকার বুকে মানবসেবার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও আস্থাকে সম্বল করে সেন্ট জন বিয়ানী হাসপাতাল আগামীতে আরও বড় পরিসরে আর্তমানবতার সেবায় কাজ করে যাবে বলে প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...