বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে আশিক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও কাজের ধরন নিয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তিনি লেখেন, "গত এক মাসে অনেকগুলো আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক এবং রিভিউ মিটিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে। তার কিছু নেতৃত্বসুলভ গুণ আমাকে আশাবাদী করেছে। তিনি অত্যন্ত ধৈর্যশীল শ্রোতা, ফলাফলমুখী আলোচনা করেন এবং সময়ানুবর্তিতা ও অনাড়ম্বর জীবনযাপনের মাধ্যমে নিজে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।"
বিডা চেয়ারম্যান জানান, গতকালকের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আগামী ছয় মাসের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বা 'রেজাল্ট কার্ড' শেয়ার করা হয়েছে। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) নিম্নমুখী হওয়ায় এখন দেশি বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান তৈরির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। একইসাথে জ্বালানি ঘাটতি ও ব্যবসায়ীদের শঙ্কার বিষয়গুলো মাথায় রেখে ২৫টি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।
কর্মপরিকল্পনার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি পদক্ষেপ:
* বন্ধ ও রুগ্ণ সরকারি শিল্পকারখানাগুলোকে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে বিরাষ্ট্রীকরণ।
* ফ্রি ট্রেড জোন ও সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রকাশ।
* জ্বালানি সংকট সমাধানে বিকল্প ব্যবস্থার অনুসন্ধান।
* দুর্নীতি রোধ ও পণ্য খালাসের সময় কমাতে সমুদ্র ও বিমানবন্দরে আধুনিক ব্যবস্থাপনা চালুকরণ।
* প্রধানমন্ত্রীর জন্য 'প্রাইভেট সেক্টর অ্যাডভাইজরি কাউন্সিল' গঠন।
* সরকারি সেবার একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম 'বাংলাবিজ'-এর সম্প্রসারণ।
* কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট সম্পন্ন করা।
আশিক চৌধুরী আরও জানান, ছয় মাস শেষে তারা এই পরিকল্পনার সাফল্য ও ব্যর্থতা নিয়ে পুনরায় একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করবেন।
স্ট্যাটাসের শেষে কৌতুকপূর্ণ স্বরে তিনি তার প্যারাস্যুট জাম্পিংয়ের শখের কথা উল্লেখ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে 'হাত-পা না ভাঙার শর্তে' পুনরায় ঝাঁপ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। তবে কাজের চাপে প্রধানমন্ত্রীর সাথে এখনও কোনো সেলফি তোলা হয়ে ওঠেনি বলেও জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...