বিজ্ঞাপন
সরেজমিনে দেখা গেছে, চন্দ্রা বাস স্ট্যান্ড ও এর আশেপাশের এলাকায় যাত্রীদের ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। মহাসড়কে চলাচলরত দূরপাল্লার বাসগুলো চন্দ্রার শেষ প্রান্ত খাড়াজোড়া এলাকায় সড়কের ওপর থামিয়ে যাত্রী ওঠানো-নামানো করায় এই জটলার সৃষ্টি হচ্ছে। এর ফলে সফিপুর আনসার একাডেমি এলাকা থেকে চন্দ্রা উড়ালসড়ক পর্যন্ত দীর্ঘ ৮ কিলোমিটার অংশে যানবাহনগুলো থেমে থেমে চলছে, যা যাত্রীদের কিছুটা ভোগান্তিতে ফেলেছে।
নাবিল পরিবহনের বাস চালক মুস্তফা মিয়া বলেন, "পুরো মহাসড়ক প্রায় ফাঁকা থাকলেও চন্দ্রা এলাকায় এলেই জ্যামে পড়তে হচ্ছে। এখানে যাত্রীদের বাসে ওঠানোর সময় শৃঙ্খলা বজায় রাখলে এই সমস্যা অনেকটা কমে যেত।" ঘরমুখো যাত্রীরাও অভিযোগ করেছেন যে, মহাসড়কের অন্য কোথাও সমস্যা না হলেও চন্দ্রা পার হতেই তাদের দীর্ঘ সময় ব্যয় করতে হচ্ছে।
তবে হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গাজীপুর রিজিয়নের নাওজোর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাওগাতুল আলম বলেন, "উত্তরাঞ্চলে প্রবেশের প্রধান পথ হওয়ায় চন্দ্রায় স্বাভাবিকভাবেই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেশি। বাসগুলো স্টেশনে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলায় কিছুটা জটলা তৈরি হয়েছে। তবে যানজট নিরসনে আমাদের তিন শতাধিক পুলিশ সদস্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। পূর্বের বছরগুলোর তুলনায় এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তি অনেক কম।"
মহাসড়কের অন্যান্য পয়েন্টে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও চন্দ্রার এই বাড়তি চাপ সামলাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তৎপর রয়েছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...