বিজ্ঞাপন
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল ৯টা থেকে শুরু হওয়া এই কার্যক্রমে কোনো প্রকার ভিড় বা বিশৃঙ্খলা এড়াতে অটোভ্যানের মাধ্যমে প্রতিটি ওয়ার্ডের বাড়ি বাড়ি গিয়ে এই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।
ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ভাগাভাগি করে নিতে এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সাধারণত ত্রাণ বা উপহার বিতরণে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তি পোহাতে হয়, কিন্তু এক্ষেত্রে অটোভ্যান ব্যবহার করে সরাসরি ঘরে ঘরে শাড়ি পৌঁছে দেওয়ায় সুবিধাবঞ্চিত মানুষজন বিশেষ করে নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে উপহার গ্রহণ করতে পেরেছেন।
স্থানীয়রা এই পদ্ধতিকে সময়োপযোগী এবং অত্যন্ত সম্মানজনক ও মানবিক হিসেবে অভিহিত করেছেন।
উপকূলীয় অঞ্চলের জেলে ও দিনমজুর পরিবারগুলোর জন্য ঈদের নতুন পোশাক কেনা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, উৎসবের আগে এমন উপহার পেয়ে তাদের পরিবারের আনন্দ বহুগুণ বেড়ে গেছে।
আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, পৌরসভার প্রতিটি ওয়ার্ডে সুশৃঙ্খলভাবে যুবদলের নেতাকর্মীরা এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।
কুয়াকাটা পৌর যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোঃ ফারুক বলেন, ঈদ মানেই আনন্দ, আর সেই আনন্দ যেন সবাই সমানভাবে উপভোগ করতে পারে, সেটাই আমাদের লক্ষ্য। সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা চেষ্টা করেছি কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে। ভবিষ্যতেও আমাদের এই ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
বস্ত্র বিতরণকালে কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন বাবুল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন ঘরামী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইদুর রহমান সোহেল, দপ্তর সম্পাদক আবু বকর মোল্লা এবং পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিরনসহ অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সামাজিক ও সচেতন মহলের মতে, রাজনৈতিক সংগঠনের এমন জনকল্যাণমূলক কাজ সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি বৃদ্ধিতোয়ক ভূমিকা পালন করে।
সব মিলিয়ে, ঈদকে সামনে রেখে কুয়াকাটায় এই বস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম মানবিকতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...