বিজ্ঞাপন
কারা সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে সেমাই, খেজুর, রুটি ও ডিম। দুপুরের প্রধান খাবারের তালিকায় থাকছে সুস্বাদু পোলাও, গরুর মাংস, মুরগির রোস্ট, ডাল ও সবজি। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে জর্দা ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টান্ন।
এছাড়া ভিন্নধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্যও রাখা হয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। হিন্দু ধর্মাবলম্বী বন্দিদের জন্য পরিবেশন করা হবে খাসির মাংস, যাতে তারা নিজেদের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ঈদের দিনটি পালন করতে পারেন।
গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন,
“ঈদ সবার জন্য আনন্দের। বন্দিরাও যেন এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হন, সে লক্ষ্যেই প্রতিবছরের মতো এবারও উন্নতমানের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
জেলার মো. নাসির উদ্দীন জানান, খাবারের মান ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি তদারকি করা হচ্ছে।
ডেপুটি জেলার সুমি ঘোষ বলেন,
“বন্দিদের মানসিক স্বস্তি ও মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের আয়োজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে তাদের মধ্যে ইতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে।”
এদিকে ঈদ উপলক্ষে কারাগারে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। অতিরিক্ত প্রহরা, তল্লাশি ও সার্বক্ষণিক নজরদারির মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছে কর্তৃপক্ষ।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ বন্দিদের মনে নতুন আশা জাগায় এবং সংশোধনের পথে এগিয়ে যেতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...