বিজ্ঞাপন
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালে বালিগাঁও ইউনিয়নের মজনু হকের পুত্র নুরুল আলমের সাথে একই ইউনিয়নের তাহের আহম্মদের মেয়ে লিমা আক্তারের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের পর প্রথম কয়েক বছর তাদের দাম্পত্য জীবন অত্যন্ত সুখের ছিল এবং তাদের ঘরে তিন বছর পর একটি পুত্র সন্তান জন্ম নেয়।
সিঙ্গাপুর প্রবাসী নুরুল আলম জানান, ২০২০ সাল থেকে তিনি প্রবাসে থাকাকালীন তার স্ত্রীর আচার-আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন। ফোনে কথা বলা এবং চলাফেরায় অসংগতি দেখে তার মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ পাঁচ বছর পর গত ১২ মার্চ ২০২৬ তারিখে তিনি দেশে ফিরে স্ত্রীর পরকীয়ায় আসক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন।
স্ত্রীর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রমাণ সংগ্রহ করতে নুরুল আলম কৌশলে স্ত্রীর শরীরের নমুনা সংগ্রহ করে ডিএনএ পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেন। তার দাবি অনুযায়ী, পরীক্ষার রিপোর্টে স্থানীয় সিএনজি ও অটোচালক, মুদি ও বিকাশ দোকানদার এবং কসমেটিক বিক্রেতাসহ প্রায় ৪৭ জন ব্যক্তির আলামত পাওয়া গেছে।
এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত স্ত্রীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভুক্তভোগী প্রবাসী নুরুল আলম জানিয়েছেন, ডিএনএ রিপোর্টের এমন ভয়াবহ তথ্যে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। এই ঘটনার বিষয়ে চূড়ান্ত আইনি পদক্ষেপ বা পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হবে, সে সম্পর্কে তিনি এখনো পুরোপুরি ভেবে উঠতে পারেননি। বিষয়টি নিয়ে আরও বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে জানানো হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...