প্রতীকী এই ছবিটি কৃত্রিম মেধা দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শ্যামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে স্থানীয়রা এক প্রতিবাদ সভার আয়োজন করেন। সভায় উপস্থিত শতাধিক গ্রামবাসী অভিযুক্ত কবির গোলদার ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
ভুক্তভোগী কাওসার গাজীর ভাষ্যমতে, গত শুক্রবার বিকেলে তিনি একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন। তখন কবিরের বাবা সোনা গোলদার কথা বলার নাম করে তাকে নির্জন মাঠের পাশে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে কোনো কারণ ছাড়াই তাকে মারধর শুরু করা হয় এবং মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বলা হয় তিনি তাদের পরিবারের পুত্রবধূকে উত্যক্ত করেছেন। এ সময় কবিরের দুই স্ত্রী তাকে জুতাপেটা করেন এবং দাড়ি ধরে টানাটানি করে চরমভাবে লাঞ্ছিত করেন। প্রত্যক্ষদর্শী মুজিবর রহমান এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার বর্ণনা দিয়ে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
কবির গোলদারের চাচা বিশে গাজী এই ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বলেন, কাওসার গাজী একজন বৃদ্ধ ও সজ্জন ব্যক্তি। তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ এর আগে কখনো শোনা যায়নি। অহেতুক তাকে মারধর করা হয়েছে। উল্টো কবির ও তার স্ত্রীরা এখন থানায় ও পুলিশ ফাঁড়িতে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সোনা গোলদার ও তার পরিবার পরিকল্পিতভাবে মানুষের নামে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ও মামলা করে অবৈধভাবে অর্থ আদায় করে থাকে। গত বছরও একইভাবে একজনের কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা আদায় করার নজির রয়েছে তাদের।
বর্তমানে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সচেতন মহল এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বৃদ্ধকে সামাজিকভাবে হেয় করার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...