বিজ্ঞাপন
জানা যায়, যান্ত্রিক কৃষির যুগে বিলুপ্তির পথে গরু বা মহিষ দিয়ে হালচাষ পদ্ধতি। এখন হাল চাষে ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন চালিত পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর। তবে মেনু মিয়া তিন বছর ধরে ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এর মধ্যে তার সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে।
জানা যায়, যান্ত্রিক কৃষির যুগে বিলুপ্তির পথে গরু বা মহিষ দিয়ে হালচাষ পদ্ধতি। এখন হাল চাষে ব্যবহার করা হয় ইঞ্জিন চালিত পাওয়ার টিলার বা ট্রাক্টর। তবে আজমত উল্লাহ তিন বছর ধরে ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। এর মধ্যে তার সংসারে সচ্ছলতা ফিরেছে।
সরেজমিনে গিয়ে আজমত উল্লাহ সাথে কথা বলে জানা যায়, ঘরে আছে মা, স্ত্রী, দুই ছেলে আর এক মেয়ে। নিজের স্বল্প পরিসরে জমি এবং অন্যের জমি বর্গাচাষ করে অভাব- অনটনে চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাড়তে থাকে ফসলের উৎপাদন খরচ। তাই বছর দুয়েক আগে ৪৪ হাজার টাকা দিয়ে দুইটি ঘোড়া কিনে অন্যের জমিতে চুক্তিতে হালচাষ শুরু করি।
আজমত উল্লাহ আরও জানান, ঘোড়া প্রকৃতিগতভাবে শক্তিশালী প্রাণী। ঘোড়া দিয়ে তাড়াতাড়ি ও সুন্দরভাবে হালচাষ করা যায়। এক বিঘা জমি চাষ দিতে খরচ নেওয়া হয় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এভাবে দিনে পাঁচ-ছয় বিঘা জমি চাষ করা যায়। এতে করে ২০০০ থেকে ২৫০০ টাকা আয় হয়। প্রতিদিন ঘোড়ার খাদ্য খরচ হয় ৩০০ টাকা। এখন ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করে সংসার খরচের পরও সঞ্চয় করতে পারছেন।
জালাল উদ্দিন নামে এক কৃষক বলেন, এলাকায় তো গরুর হাল নেই। পাওয়ার ট্রিলার বা ট্রাক্টর দিয়ে হালচাষ করলে জমি সমান হয় না, খরচও বেশি। ঘোড়া দিয়ে চাষ দিলে জমি সমান হয়, আগাছা থাকে না। ফলে জমিতে পানি ধরে রাখা সহজ হয়। তাই কম খরচে আজমত উল্লাহ ঘোড়া দিয়ে জমি চাষ করছি।
তবে অনেকেই ঘোড়া দিয়ে হালচাষ করাকে তিরস্কার মনে করতেছে। তাদের ধারণা আধুনিক যুগে আধুনিকতার যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা উত্তম।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...