বিজ্ঞাপন
সোমবার (২০ এপ্রিল) রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আনুষ্ঠানিকভাবে তার নাম ঘোষণা করেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গত ১৭ এপ্রিল থেকে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাক্ষাৎকার কার্যক্রম শুরু হয়। দুই দিনব্যাপী এই সাক্ষাৎকারে সারা দেশ থেকে সাত শতাধিক নারী নেত্রী অংশ নেন। মনোনয়ন বোর্ডের নিবিড় পর্যবেক্ষণ শেষে চূড়ান্তভাবে ৩৬ জনকে মনোনীত করা হয়। বরগুনা-ঝালকাঠি অঞ্চল থেকে মনোনয়ন দৌড়ে একাধিক নেত্রী আলোচনায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত দলের পরীক্ষিত নেত্রী জীবা আমিনা খানের ওপরই আস্থা রেখেছে বিএনপি। আগামী ১২ মে সংরক্ষিত নারী আসনের এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জীবা আমিনা খান সাবেক মন্ত্রী আক্তার উদ্দিন আহমদের কন্যা এবং উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে অধ্যয়ন করেছেন। তিনি দীর্ঘ দিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। বর্তমানে তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য, কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি এবং ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তৎকালীন প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে নির্বাচনী প্রচারকালে তিনি একাধিকবার হামলার শিকার হয়েছিলেন বলেও জানা যায়।
মনোনয়ন প্রাপ্তির পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জীবা আমিনা খান বলেন, "দলের দুঃসময়ে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকে কাজ করে যাচ্ছি। দল আমার ত্যাগের মূল্যায়ন করায় আমি কৃতজ্ঞ। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ঝালকাঠি ও বরগুনা অঞ্চলের সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষা এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে আমি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করব।"
উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের বিপরীতে বিএনপি তাদের প্রাপ্ত আনুপাতিক হারে এই প্রার্থীদের চূড়ান্ত করেছে। জীবা আমিনা খানের মনোনয়নে ঝালকাঠি জেলা বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...