বিজ্ঞাপন
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রইচপুর উত্তর পাড়া ব্রিজের সংযোগস্থলের পাশে সরকারি জমি না থাকায় এবং পার্শ্ববর্তী জমি ব্যক্তিগত মালিকানাধীন হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো সংস্কার কাজ হয়নি। ফলে ব্রিজের দুই পাশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছিল। সামান্য বৃষ্টিতেই এলাকাটি তলিয়ে যেত এবং বছরের প্রায় ছয় মাস জলাবদ্ধতা বিরাজ করত। এতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তেন স্থানীয় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা। উৎপাদিত ধান ও মাছ বাজারে নেওয়ার সময় তাদের প্রতিনয়ত দুর্ঘটনার শিকার হতে হতো। জনগণের এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তি লাঘবে জামায়াতে ইসলামী নিজস্ব উদ্যোগে মাটি ভরাট করে চলাচলের পথ সুগম করার পদক্ষেপ নেয়।
মাটি ভরাট কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি ও সাতক্ষীরা পৌর মেয়র প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক। অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন, জাহিদুল ইসলাম বকুল, সাতক্ষীরা শহর আমির ও ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী। মাওলানা আমিনুর রহমান, সাতক্ষীরা শহর কর্মপরিষদ সেক্রেটারি। মাওলানা আব্দুর রহিম, ৭নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি। হাফেজ মো. লিয়াকত আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন ৭নং ওয়ার্ড সভাপতি। এছাড়াও স্থানীয় যুব বিভাগের নেতৃবৃন্দ ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কার কাজে অংশ নেন।
মাটি ভরাট কার্যক্রম উদ্বোধনকালে অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, "রইচপুর উত্তর পাড়া ব্রিজের দুই পাশের বেহাল দশার কারণে সাধারণ মানুষের চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। কৃষকেরা তাদের কষ্টের ফসল ঘরে তুলতে পারছিলেন না। জনগণের এই দুর্ভোগ দেখে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে চলাচলের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। আমরা সবসময় গণমানুষের কল্যাণে কাজ করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।"
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে সরকারিভাবে দ্রুত সংস্কার কাজ সম্ভব হচ্ছে না। তারা সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, জনগণের চলাচলের স্বার্থে এই ভোগান্তি নিরসনে যেন দ্রুত স্থায়ী আইনি ও অবকাঠামোগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। স্থায়ী সংস্কার না হলে এই জনপদে যাতায়াত সংকট থেকেই যাবে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...