বিজ্ঞাপন
বুধবার (২৯ এপ্রিল) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি। নতুন নির্ধারিত মূল্য আজ থেকেই কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে উৎস পর্যায়ে পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে আমদানিনির্ভর পণ্যের ওপর। সয়াবিন তেল সম্পূর্ণ আমদানিনির্ভর হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্যবৃদ্ধির চাপ দেশীয় বাজারেও পড়েছে।
তিনি আরও জানান, রমজান মাস থেকেই আমদানিকারক ও রিফাইনাররা মূল্য সমন্বয়ের দাবি জানিয়ে আসছিলেন। সরকার আন্তর্জাতিক বাজারদর, আমদানি ব্যয় এবং সংশ্লিষ্ট খরচ পর্যালোচনা করে তাদের দাবির যৌক্তিকতা খুঁজে পায়। তবে প্রস্তাবিত পুরো মূল্যবৃদ্ধি অনুমোদন না দিয়ে আংশিক সমন্বয় করা হয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, এই মূল্য সমন্বয়ের ফলে একদিকে রিফাইনারদের লোকসান কিছুটা কমবে, অন্যদিকে বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতিও স্থিতিশীল থাকবে বলে সরকার আশা করছে। একই সঙ্গে খুচরা পর্যায়ে নতুন মূল্য বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হবে এবং এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা দাবি করেন, বর্তমান মূল্য কাঠামোতেও তারা পুরোপুরি লাভজনক অবস্থায় নেই। আন্তর্জাতিক বাজারদর, পরিবহন ব্যয়, ফ্রেইট, খালাস ও রিফাইনিংসহ বিভিন্ন ধাপের ব্যয় বিবেচনায় নিয়েই তারা মূল্য নির্ধারণ করে থাকেন বলে জানান তারা। তাদের দাবি, এই মূল্য নির্ধারণ প্রক্রিয়া স্বচ্ছ এবং উন্মুক্ত।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের রুটিন দায়িত্বে থাকা সচিব মো. আবদুর রহিম খান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে আমদানিনির্ভর এই পণ্যে দেশের বাজারেও চাপ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আমদানিকারক ও রিফাইনারদের পক্ষ থেকে মূল্য সমন্বয়ের দাবি আসছিল। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সরকার ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে একাধিক দফা বৈঠকের পর এ সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...