Logo Logo

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি রোধে গোবিপ্রবিতে অত্যাধুনিক সফটওয়্যার ‘টার্নিটিন’ চালু


Splash Image

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গবেষণায় চৌর্যবৃত্তি (Plagiarism) প্রতিরোধ এবং মানসম্মত গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক মানের অনলাইন সফটওয়্যার ‘টার্নিটিন’ (Turnitin) ব্যবহারের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। এই প্রযুক্তি স্থাপনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


‘টার্নিটিন’ একটি বিশ্বখ্যাত অনলাইন চৌর্যবৃত্তি শনাক্তকরণ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে যেকোনো গবেষণাপত্র, থিসিস, অ্যাসাইনমেন্ট কিংবা একাডেমিক লেখার মৌলিকতা সহজেই যাচাই করা সম্ভব। কোনো নথি বা ডকুমেন্ট এই সফটওয়্যারে সাবমিট করা হলে এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কয়েক কোটি একাডেমিক জার্নাল, প্রকাশিত গবেষণাপত্র, বই, ডিজিটাল প্রকাশনা এবং ইন্টারনেটে বিদ্যমান বিপুল ডাটাবেজের সঙ্গে তুলনা করে। এর ফলে বিদ্যমান তথ্যের সঙ্গে লেখার কোনো অংশের মিল থাকলে তা নির্ভুলভাবে শনাক্ত করা যায়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, এই ব্যবস্থা চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক গবেষণার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত হবে। গবেষকরা অন্যের কাজ হুবহু কপি করার পরিবর্তে নিজস্ব চিন্তা ও সৃজনশীলতার প্রতিফলন ঘটাতে উৎসাহিত হবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর এ বিষয়ে বলেন, “এই সফটওয়্যার ব্যবহারের ফলে আমাদের শিক্ষক, শিক্ষার্থী তথা গবেষকদের মধ্যে মৌলিক গবেষণার চর্চা আরও জোরদার হবে। এটি কেবল একাডেমিক সততাই নিশ্চিত করবে না, বরং বৈশ্বিক শিক্ষা মানদণ্ডে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে আরও মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে নিয়ে যাবে।”

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সময়োপযোগী পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...