বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে জানা যায়, তিনি সরাইল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি (২০১২-২০১৬) হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে স্থানীয় ও কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে চারটি সাজানো মামলা দায়ের করা হয়।২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর তিনি নিজ গ্রাম সূর্যকান্দিতে দিনের আলোতে প্রবেশ করতে পারেননি। তিনি বাড়িতে আসার খবর পেলেই আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বাড়ি ঘেরাও করে রাখত বলে তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার বিবরণ দিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, "২০১৪ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমি বাড়িতে অবস্থানকালে পুলিশ আমাকে গ্রেপ্তার করতে আসে। সে সময় অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে কৌশলে আমি সেখান থেকে বের হয়ে যেতে সক্ষম হই। কিন্তু আমাকে না পেয়ে পুলিশ আমার নিরপরাধ ছোট ভাই মুস্তাক আহমেদ রানাকে ২০১৬ সালে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তিনি আরও জানান, তার ছোট ভাইকে ২৪ ঘণ্টা হাজতে আটকে রাখা হয়েছিল, যা ছিল মূলত তাকে (হুমায়ুনকে) মানসিকভাবে চাপে ফেলার একটি কৌশল।
কালিকচ্ছের 'সবচেয়ে নির্যাতিত' পরিবার
ছাত্রদল নেতা হুমায়ুন কবিরের দাবি, বিগত শেখ হাসিনা সরকারের আমলে কালিকচ্ছ ইউনিয়নের মধ্যে তার পরিবারই সবচেয়ে বেশি পুলিশি হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। স্বৈরাচারী আমলা ও দলীয় ক্যাডারদের মদতে তাকে বছরের পর বছর বাড়ি ছাড়া করে রাখা হয়েছিল। নিজ এলাকায় থেকেও আমি বছরের পর বছর পরবাসীর মতো যাযাবর জীবন কাটিয়েছি। পুলিশের ভয়ে নিজের বাড়িতে ফিরতে পারিনি। এই দীর্ঘকালীন রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও অমানবিক হয়রানি আমাদের পুরো পরিবারকে বিপর্যস্ত ও পঙ্গু করে দিয়েছে।
বিগত সরকারের আমলে হওয়া এই নজিরবিহীন নির্যাতনের বিচার দাবি করেছেন এই ছাত্রদল নেতা। একইসাথে তিনি দেশে টেকসই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...