বিজ্ঞাপন
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রেজাউল শেখ মধু মার্কেটের মূল নকশা বহির্ভূতভাবে সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে সামনে ও পেছনের অংশে পাকা স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। এসব অবৈধ স্থাপনা দোকান হিসেবে ভাড়া দিয়ে তিনি নিয়মিত মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। অবৈধ নির্মাণের ফলে মার্কেটের ড্রেনেজ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই ভয়াবহ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে, যা ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ের জন্যই চরম দুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন, দোকান ভাড়ার ক্ষেত্রে রেজাউল শেখ মধু ‘জামানত’ বা অগ্রিমের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করেন, যার কোনো বৈধ নথিপত্র দেওয়া হয় না। কোনো ব্যবসায়ী প্রতিবাদ করলে তাকে দোকান ছাড়তে বাধ্য করা কিংবা মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করার মতো ঘটনাও ঘটছে।
ভুক্তভোগী এক ব্যবসায়ী জানান, তিনি ১৭ লাখ টাকা অগ্রিম এবং মাসিক ২৩ হাজার টাকা ভাড়ায় দোকান নিয়েছেন। অপর এক ব্যবসায়ী ১০ লাখ টাকা অগ্রিম ও ১৬ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ার তথ্য নিশ্চিত করেন।
সিটি স্কয়ার মার্কেট দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মিজানুর রহমান বলেন, “সরকারি জায়গা দখল করে দোকান নির্মাণ করায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা অকেজো হয়ে পড়েছে। ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ভোগান্তির শিকার হলেও প্রভাবশালী কেয়ারটেকারের কারণে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।”
ব্যবসায়ী রাহুল দাবি করেন, প্রতিবাদ করায় তাকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গোপালগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য ডা. কে এম বাবর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কেয়ারটেকার রেজাউল শেখ মধু তাঁর বিরুদ্ধে আনীত সকল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ওই জায়গা ও দোকান সবই মার্কেট মালিকের। মালিকের নির্দেশনা অনুযায়ীই তিনি কাজ করছেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে করা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা সরকারি জমি দখলমুক্ত করা, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং ড্রেনেজ ব্যবস্থা পুনরুদ্ধারে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...