বিজ্ঞাপন
বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে অবস্থানরত নিরাপত্তা বাহিনী মো. রনি হাওলাদার বলেন," গত রমজানের ঈদে ও আমি ছুটি পাইনি। এই ঈদেও আমার ছুটি হয়নি, পরিবার ছাড়া ক্যাম্পাসে ঈদ উদ্যাপন নিজেকে নিরীহ নিরীহ ভূত হয়। তবে ক্যাম্পাসে সহকর্মীদের সাথে ঈদ উদ্যাপন এটা একটু ভিন্ন আনন্দময় মুহূর্ত। মা-বাবা স্ত্রী-সন্তানদের ছাড়া ঈদ উদ্যাপন কষ্ট ফিল হয়, তাবে তাদের ভালো কথা চিন্তা করে এই কষ্ট, কষ্ট বলে মনে হয় না।"
চাকরি জীবনে এক মর্মান্তিক ঘটনা মনে করে তিনি বলেন,"২০২১ সালে চাকরিরত অবস্থায় কুয়াকাটা আলিপুরে দুর্বৃত্তে শিকার হন। তখন ঘাড়ে, গলায় এবং বুকে চাকু ও সুইস গিয়ার দ্বারা গভীর আঘাত পান। পরবর্তীতে দীর্ঘদিন চিকিৎসার পর সে ক্ষত থেকে সরে উঠেন তিনি।"
৪ নম্বর গেটে নিরাপত্তায় থাকা মো. রাজু হাওলাদার বলেন,"ভাইবোন ছাড়া ঈদ উদ্যাপন কষ্ট তো হয় তবে চাকরির খাতিরে ক্যাম্পাসে থাকতে হয়। ছুটির সময় ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাটা একটু বেড়ে যায় সঙ্গে নিজের দায়িত্বটাও। তখন ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করতে হয়। সহকর্মীদের সাথে থাকলে পরিবারের কথা এতটা মনে পড়ে না। তাদের সাথে ঈদ উদ্যাপন এক আনন্দ ক্ষণ মুহূর্ত, সবাই একসাথে খাওয়া দাওয়া করি, এক সাথে থাকি এটা একটা আলেদা আনন্দের ব্যাপার।"
৩ নম্বর গেটের ইলিয়াস হোসেন বলেন,"বাহিনীর চাকরি করতে গেলে পরিবার ছাড়া মাঝে মাঝে ঈদ করতে হয় এটা স্বাভাবিক, তবে খারাপ লাগার তো বিষয় তো আছে, ছেলে মেয়েদের সঙ্গে ঈদ করতে পারলে ভালো লাগতো। তবে সহকর্মীদের সঙ্গে একসাথে ঈদ উদ্যাপন করা এটা একটা অন্যরকম ভালো লাগার বিষয়। সবার সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়। ছুটি সময় ফাঁকা ক্যাম্পাসে নিজেকে নিরীহ নিরীহ লাগে। ভার্সিটি খোলার থাকলে, মামারা(শিক্ষার্থীরা) দেখলে ভালো লাগার কাজ করে, তখন ক্যাম্পাস মামাদের দিয়ে পরিপূর্ণ থাকে। মামারা দেখলে সালাম দেয় এবং ভালোর কথা জিজ্ঞেস করে, এই আরকি।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসভবনের নিরাপত্তা বাহিনী মো. আব্দুল রহমান বলেন," ছেলে- সন্তানদের ছাড়া ঈদ উদ্যাপনে আক্ষেপ ফিল হয়। ক্যাম্পাসে সহকর্মীদের সাথে ঈদ উদ্যাপন এটাও এক আনন্দ।"
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...