প্রতীকী এই ছবিটি কৃত্রিম মেধা দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
সীমান্তে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর নজরদারি ও দৃঢ় তৎপরতায় একের পর এক পুশ-ইনের অবৈধ চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। তবে বিএসএফের এসব কর্মকাণ্ড দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইনের কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে বড় ধরনের প্রশ্ন ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এমন এক স্পর্শকাতর ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই আজ সোমবার (৮ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী সীমান্ত সম্মেলন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের আমলে এটাই প্রথম সীমান্ত সম্মেলন হতে যাচ্ছে।
মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক আইনের তোয়াক্কা না করে বিএসএফ কর্তৃক সীমান্ত হত্যা, অনবরত পুশ-ইনের চেষ্টা এবং বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহারের কারণে দুই বাহিনীর মধ্যে মাঠপর্যায়ে উত্তেজনা ক্রমশ বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে এবারের উচ্চপর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলন থেকে নয়াদিল্লিকে অত্যন্ত কড়া ও স্পষ্ট বার্তা দিতে চায় বিজিবি।
বিজিবি সদর দফতর সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিটি লঙ্ঘনের ঘটনা এবং সব ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ফিরিস্তি ও প্রমাণ এবারের সম্মেলনে অত্যন্ত জোরালোভাবে উপস্থাপন করা হবে।
সম্মেলনের আলোচ্যসূচির বিষয়ে বিজিবি সদর দফতরের উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম জানান, এবারের মহাপরিচালক পর্যায়ের সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবির মূল এজেন্ডা বা অগ্রাধিকার থাকবে সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং পুশ-ইন প্রতিরোধ। এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ও সুস্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে ভারতের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানানো হবে। একই সঙ্গে বিএসএফের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের চিত্রও বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আকাশসীমা লঙ্ঘন করে ভারতের ড্রোন ও হেলিকপ্টার অনুপ্রবেশের ঘটনা, মাদকসহ সব ধরনের চোরাচালান বন্ধ, সীমান্তে অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল স্থাপন, স্থায়ী সীমান্ত পিলার নির্মাণ এবং আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধের মতো গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডাগুলো বৈঠকে গুরুত্ব পাবে। পাশাপাশি ভারতীয় গণমাধ্যমে সীমান্তকেন্দ্রিক উসকানিমূলক ও মিথ্যা সংবাদ প্রচারের বিষয়েও তীব্র প্রতিবাদ জানাবে বিজিবি।
নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, পুশ-ইন ইস্যুটি এখন আর কেবল সাধারণ সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়ে সীমাবদ্ধ নেই। এটি একই সঙ্গে মানবাধিকার, আন্তর্জাতিক আইন, কূটনীতি এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার এক বড় প্রশ্নে পরিণত হয়েছে। সীমান্তের জিরো লাইনে আটকে থাকা অসহায় মানুষের গল্প এখন দুই দেশের কূটনৈতিক আস্থার গভীর পরীক্ষা নিচ্ছে।
বিজিবি সদর দফতরের সংগৃহীত তথ্যানুযায়ী, গত ৩ থেকে ৬ জুন পর্যন্ত মাত্র চার দিনে ঝিনাইদহ সীমান্ত, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার বঙ্গাবাড়ী সীমান্ত, নওগাঁর সাপাহার উপজেলার হাপানিয়া, লালমনিরহাটের বারখাতা ও পাটগ্রামসহ আশপাশের সীমান্ত এবং পঞ্চগড় সীমান্ত দিয়ে সরাসরি বিএসএফের মদদে অন্তত ২৩টি পুশ-ইনের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় দুই শতাধিক মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও বিজিবির কঠোর বাধায় তা সম্পূর্ণ নস্যাৎ হয়ে যায়।
বিজিবি জানিয়েছে, পুশ-ইনের এসব সাম্প্রতিক অপচেষ্টার পর থেকে সীমান্তে টহল, গোয়েন্দা নজরদারি এবং অন্যান্য প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ব্যাপক আকারে জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় বর্তমানে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থা (হাই অ্যালার্ট) বজায় রেখেছে বিজিবি।
বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, পুশ-ইনের এসব ঘটনার ক্ষেত্রে বিএসএফ কোনো ধরনের প্রতিষ্ঠিত কূটনৈতিক প্রক্রিয়া, দ্বিপাক্ষিক নাগরিকত্ব যাচাই কিংবা কোনো আনুষ্ঠানিক আইনানুগ প্রত্যাবাসন ব্যবস্থার তোয়াক্কা করছে না। সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে রাতের অন্ধকারে মানুষকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করছে যে, যাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে তারা মূলত অবৈধ বাংলাদেশি নাগরিক। তবে ঢাকা এই দাবিতে তীব্র আপত্তি জানিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছে যে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী যথাযথ যৌথ যাচাই-বাছাই ছাড়া কাউকে কোনো অবস্থাতেই গ্রহণ করা হবে না।
সীমান্তে পুশ-ইনের এই প্রবণতাটি অবশ্য একেবারেই নতুন নয়। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন ও সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত এক বছরে অন্তত ২ হাজার ৪৬৩ জনকে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পুশ-ইন করার অভিযোগ রয়েছে বিএসএফের বিরুদ্ধে। পরবর্তী সময়ে এদের মধ্যে শতাধিক ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত করা হয় এবং কয়েকশ রোহিঙ্গা নাগরিকও এর মধ্যে ছিল বলে জানা গেছে।
বিজিবি সদর দফতরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে সর্বমোট ২৩৪৪ জনকে পুশ-ইন করা হয়েছে। এই পুশ-ইনকৃতদের মধ্যে সিংহভাগ বাংলাদেশি নাগরিক হলেও ১২৬ জন ভারতীয় নাগরিক এবং ৩৯ জন রোহিঙ্গা মুসলিম ছিলেন।
গত মে মাস থেকে শুরু করে চলতি জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত সময়ে বিএসএফ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলসহ বিভিন্ন কৌশলগত সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে আরও দুই শতাধিক মানুষকে পুশ-ইন করার চেষ্টা চালিয়েছে। তাদের এই একতরফা ও বেআইনি অপচেষ্টা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও অভিবাসন আইন বিশেষজ্ঞরা এই প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছেন, কোনো রাষ্ট্র চাইলেই কাউকে অন্য দেশের নাগরিক দাবি করে জোরপূর্বক সীমান্তে ঠেলে দিতে পারে না। এর জন্য নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক ‘ডিউ প্রসেস’ বা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া রয়েছে, যার মধ্যে নাগরিকত্ব যাচাই, কনস্যুলার যোগাযোগ, পারস্পরিক তথ্য বিনিময় এবং দুই রাষ্ট্রের সম্মতিভিত্তিক আনুষ্ঠানিক প্রত্যাবাসন চুক্তি অন্যতম। এসব নিয়ম না মেনে পুশ-ইন করা আন্তর্জাতিক আইন ও মানবাধিকারের চরম পরিপন্থি, যা দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের পারস্পরিক আস্থার সংকটকে আরও ঘনীভূত করবে।
এ প্রসঙ্গে বিজিবি সদর দফতরের উপ-মহাপরিচালক (মিডিয়া) কর্নেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ মাহমুদ আজম পরিষ্কার ভাষায় বলেন, ঠেলে দেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কেউ প্রকৃত বাংলাদেশি প্রমাণিত হলে তাকে গ্রহণে বাংলাদেশের কোনো আপত্তি নেই। তবে তার আগে সুনির্দিষ্ট আইনি প্রমাণ দিতে হবে। শুধু সীমান্তে এনে জোর করে ছেড়ে দিলে বাংলাদেশ তা কখনোই গ্রহণ করবে না।
তিনি আরও বলেন, বিএসএফ অনবরত পুশ-ইনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, তবে প্রতিটি ঘটনায় আমরা শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছি এবং তা সফলভাবে ঠেকিয়ে দিয়েছি। এটি নিশ্চিতভাবেই আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার আইন এবং দেশীয় আইনের সুস্পষ্ট ব্যত্যয়। কোনো আন্তর্জাতিক ফরম্যাটেই রাতের অন্ধকারে মানুষকে এভাবে পুশ-ইন করার কোনো বৈধতার সুযোগ নেই।
বিজিবির এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের দিকেও ১০-১২ জনকে এভাবে পুশ-ইন করার চেষ্টা হয়েছিল। নিয়মানুযায়ী এই ধরণের প্রক্রিয়ার জন্য একটি দীর্ঘ ও সুনির্দিষ্ট প্রসিডিউর অনুসরণ করতে হয়। এমনকি এক দেশ থেকে অন্য দেশে কোনো গবাদিপশু পাঠাতে গেলেও যেখানে বাণিজ্যিক চুক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ম মানতে হয়, সেখানে মানুষকে কীভাবে রাতের অন্ধকারে জিম্মি করে বিএসএফ সীমান্তে পাঠায়, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে। বিএসএফ জেনে-শুনে বুঝেই আন্তর্জাতিক আইনের এই লঙ্ঘন ঘটাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক বর্ডার ল বা সীমান্ত আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, সীমান্তের আন্তর্জাতিক সীমানা রেখা বা জিরো লাইনের সারফেস থেকে ১৫০ গজের বাইরে যেকোনো দেশ তাদের নিজস্ব অবকাঠামো তৈরি বা যেকোনো কর্মকাণ্ড করতে পারে। কিন্তু ১৫০ গজের ভেতরে কোনো ধরনের স্থায়ী স্থাপনা নির্মাণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। অথচ সীমান্তে বিএসএফ তথা ভারতীয়দের দ্বারা চরম মাত্রায় মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইনের লঙ্ঘন করা হচ্ছে। বিজিবি প্রতিটি ঘটনার পর ফ্ল্যাগ মিটিং বা পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে। বর্তমানে সীমান্তে নজরদারি অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে এবং সশস্ত্র অবস্থায় পর্যাপ্ত সংখ্যক বিজিবি সদস্য মোতায়েন রাখা হয়েছে। কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন কমান্ডার লেভেলে ঘনঘন বৈঠক চলছে।
সীমান্ত সম্মেলনে অংশ নিতে যাওয়া বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপদস্থ এক কর্মকর্তা জানান, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন ছাড়াও এবার বিজিবির প্রধান আলোচ্যসূচিতে থাকবে ভারতীয় ড্রোন ও হেলিকপ্টার কর্তৃক বাংলাদেশের সার্বভৌম আকাশসীমা লঙ্ঘনের বিষয়টি। সীমান্তের নদী ও পাহাড়বেষ্টিত দুর্গম এলাকায় নজরদারির অজুহাতে প্রায়ই বাংলাদেশের আকাশে ড্রোন ওড়াচ্ছে বিএসএফ। বিশেষ করে দেশের উত্তরাঞ্চলের পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট এবং খাগড়াছড়ির পাহাড়ি এলাকায় ভারতীয় হেলিকপ্টার অনুপ্রবেশের সুনির্দিষ্ট ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশের আকাশসীমার এই অবৈধ লঙ্ঘন ঠেকাতে বিজিবি এবার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা ভারতকে সাফ জানিয়ে দেবে।
পাশাপাশি ভারতের আগরতলার ভারী শিল্পবর্জ্য ত্রিপুরার চারটি প্রধান খাল দিয়ে বাংলাদেশের আখাউড়ায় প্রবেশ করার বিষয়টিও এজেন্ডায় রয়েছে। এই বিষাক্ত বর্জ্যের কারণে আখাউড়া অঞ্চলের ফসলি জমির উর্বরতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে এবং সামগ্রিক পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে। এটি স্থায়ীভাবে বন্ধের লক্ষ্যে আখাউড়া সীমান্তে একটি আধুনিক বর্জ্য শোধনগার বা ইটিপি (Effluent Treatment Plant) স্থাপন করতে চায় বাংলাদেশ। এই ইটিপি স্থাপনের সম্পূর্ণ খরচ ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে বহন করার আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেবে বিজিবি। এছাড়া ভারতের অভ্যন্তরে আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সম্ভাব্য অবস্থান, তাদের কর্মকাণ্ড এবং তাদের পেছনে ভারতীয় কোনো সংশ্লেষ বা সহযোগিতার তথ্য থাকলে, তা উপড়ে ফেলার বিষয়েও ভারতীয় প্রতিনিধিদলকে চাপ দেবে বাংলাদেশ।
চার দিনব্যাপী এই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি শক্তিশালী ও উচ্চপর্যায়ের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাদের পাশাপাশি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর এবং যৌথ নদী কমিশনের (জেআরসি) সংশ্লিষ্ট শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা।
অন্যদিকে, বিএসএফ মহাপরিচালক প্রবীণ কুমারের নেতৃত্বে ভারতীয় প্রতিনিধিদলটি এই সম্মেলনে অংশ নিতে যাচ্ছে। ভারতের প্রতিনিধিদলে বিএসএফের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনার সাথে যুক্ত অন্য সব গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার প্রতিনিধিরা প্রতিনিধিত্ব করবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...