বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (২৬ জুলাই) ভোরে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে সমগ্র এলাকায় চরম আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
নিহত মাহফুল দু-আনী দুধকুড়া গ্রামের মৃত ইয়াকুব আলীর ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে মাহফুল নিজ ঘরে ঘুমাতে যান। আজ রোববার ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে তার মা সখিনা আক্তার (৫৫) ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা খোলা দেখতে পান। পরবর্তীতে সন্দেহ হলে তিনি টর্চ জ্বালিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন এবং বিছানায় মাহফুলের রক্তস্নাত গলাকাটা নিথর দেহ দেখতে পান। তার আর্তচিৎকারে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং নেত্রকোনা মডেল থানায় খবর দেন।
নিহতের মা সখিনা আক্তার অভিযোগ করেন, প্রতিবেশী সুরুজ আলীর ছেলে শফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাদের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। তার ধারণা, ওই পুরনো শত্রুতার জের ধরেই শফিকুল বা তার সহযোগীরা এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পূর্বে সুনির্দিষ্টভাবে কাউকে অভিযুক্ত করা সম্ভব নয়।
খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) সজল কুমার সরকার এবং নেত্রকোনা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল খায়ের দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সজল কুমার সরকার জানান, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন এবং অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...