বিজ্ঞাপন
সোমবার (১৫ জুন) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সামনে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর অনুপ্রেরণায় গঠিত সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক), ব্রাহ্মণবাড়িয়া এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে সনাকের ইয়েস সদস্য মো. মারুফ মণ্ডল টিআইবির ১২ দফা দাবি ও সুপারিশসম্বলিত ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন। এতে শিশুশ্রম নিরসনে জাতীয় কর্মপরিকল্পনা হালনাগাদ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে কর্মরত শিশুদের পুনর্বাসন, স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং নির্ভরযোগ্য তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
এছাড়া বর্জ্য পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ কার্যক্রমকে শিশুদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ ও নিষিদ্ধ কাজের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা, পৌরসভা পর্যায়ে নজরদারি বৃদ্ধি, ওয়ার্ডভিত্তিক সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা এবং আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।
ধারণাপত্রে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে শিশুশ্রমের ঘটনা জানাতে পৃথক হটলাইন চালুর সুপারিশ করা হয়। পাশাপাশি ডাম্পিং সাইট, ল্যান্ডফিল ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশনগুলোতে বিশেষায়িত শিশুশ্রম পর্যবেক্ষণ ইউনিট গঠন করে নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তারা বলেন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা খাতে মর্যাদাপূর্ণ কর্মপরিবেশ ও শ্রম অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে শ্রম আইন-২০০৬ কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। একই সঙ্গে অপ্রাতিষ্ঠানিকভাবে বর্জ্য সংগ্রহ ও পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণে যুক্ত শ্রমিকদের নিবন্ধন ও লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে মূলধারার আওতায় আনার উদ্যোগ গ্রহণ প্রয়োজন।
সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের প্রভাষক মো. মেহেদী হাসান।
কর্মসূচিতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সনাক সদস্য মো. আরজু মিয়া। ধারণাপত্র পাঠ করেন ইয়েস সদস্য জয়নাব আক্তার। এছাড়া বক্তব্য রাখেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদ, কন্যা সামাজিক সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সভাপতি করবী চক্রবর্তী, রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ইউনিটের জেলা কর্মকর্তা বৃন্দাবন মণ্ডল, অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (ভূমি)-এর সদস্য রিপণ দেবনাথ ও সঞ্জয় কুমার দাস এবং ইয়েস গ্রুপের দলনেতা রাজিব সরকার।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন টিআইবির এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মো. আব্দুর রহমান।
সমাবেশে সনাক, ইয়ুথ এনগেজমেন্ট অ্যান্ড সাপোর্ট (ইয়েস) গ্রুপ, অ্যাক্টিভ সিটিজেন্স গ্রুপ (এসিজি), শিক্ষার্থী, স্বেচ্ছাসেবক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, এনজিও কর্মী ও স্থানীয় নাগরিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...