প্রতীকী এই ছবিটি কৃত্রিম মেধা দ্বারা নির্মিত।
বিজ্ঞাপন
ইরান তাদের তেল ও পেট্রোরাসায়নিক (পেট্রোকেমিক্যাল) পণ্যের রপ্তানির ওপর আরোপিত আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের বিষয়টি নিশ্চিত করার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে দীর্ঘদিনের উদ্বেগ অনেকটাই প্রশমিত হয়েছে। এর ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক তেলবাজারে।
বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেলে ১ দশমিক ৫৩ ডলার বা ১ দশমিক ৯০ শতাংশ কমে ৭৯ দশমিক ০৪ ডলারে নেমে এসেছে। যদিও দিনের শুরুতে লেনদেনের প্রথম ভাগে ব্রেন্টের দাম সর্বোচ্চ ৮২ দশমিক ৩০ ডলার পর্যন্ত উঠেছিল।
মূলত আলোচনার শুরুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে ইরানের বিরুদ্ধে পুনরায় সামরিক পদক্ষেপের হুমকি এবং তেহরানের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুনরায় বন্ধ করে দেওয়ার আকস্মিক ঘোষণাকে কেন্দ্র করে বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় অগ্রগতি হওয়ায় সেই উদ্বেগ অনেকটাই কমে আসে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুড তেলের দাম চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রতি ব্যারেলে ৭ সেন্ট কমে ৭৬ দশমিক ৫৩ ডলারে দাঁড়ায়। তবে বাজারে তুলনামূলক বেশি সক্রিয় আগামী আগস্ট মাসের পরবর্তী চুক্তির তেলের দাম ৫৫ সেন্ট কমে প্রতি ব্যারেল ৭৫ দশমিক ৩০ ডলারে নেমে আসে।
উল্লেখ্য, সরকারি ছুটির কারণে গত শুক্রবার মার্কিন জ্বালানি বাজারে তেলের মূল্যের কোনো আনুষ্ঠানিক রফা (সেটেলমেন্ট) হয়নি।
এদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সোমবার সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে প্রথম দফার গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সম্পন্ন করেছেন। গত সপ্তাহে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী রোববার থেকে শুরু হওয়া এই সংলাপের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল গত এপ্রিল মাস থেকে কার্যকর থাকা সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও অন্তত ৬০ দিনের জন্য বাড়ানো।
সূত্র: রয়টার্স।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...