বিজ্ঞাপন
প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট ওই সূত্রটি উল্লেখ করেছে, লেবানন পরিস্থিতির পাশাপাশি ইরানের তেল বিক্রির ওপর আরোপিত বৈশ্বিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত এই নৌপথটি বন্ধই রাখা হবে।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের স্থায়ী অবসানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর বিষয়টি রোববার নিশ্চিত করেছে প্রধান মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে রোববার সুইজারল্যান্ডে ‘‘লেক লুসার্ন শীর্ষ সম্মেলন এবং উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রথম বৈঠক শুরুর’’ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং দুই মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।
উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল-গ্যাস সমৃদ্ধ দেশ কাতার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে, এই বৈঠক একটি ব্যাপক ও দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে; যা পূর্ববর্তী সমঝোতা স্মারকের সব বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করবে। বিবৃতিতে চলতি সপ্তাহের শুরুতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি প্রাথমিক চুক্তির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবরেও সুইজারল্যান্ডের এই কূটনৈতিক তৎপরতার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। খবর অনুযায়ী, লেবাননে বিস্তৃত যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের জব্দ থাকা আন্তর্জাতিক সম্পদ অবমুক্ত করার বিষয়ে আলোচনা করতে ইরান, কাতার এবং যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল সুইজারল্যান্ডে বৈঠকে বসেছে।
দেশটির রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি জানিয়েছে, লেবাননে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন এবং ইরানের অবরুদ্ধ সম্পদ সচল করার সুনির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও কাতারের মধ্যে বর্তমানে নির্ধারিত বৈঠকস্থলে একটি গুরুত্বপূর্ণ ত্রিপাক্ষিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...