Logo Logo

রামুতে মিয়ানমারে পাচারের সময় ১০০ বস্তা ইউরিয়া সারসহ আটক- ২


Splash Image

কক্সবাজারের রামুতে সীমান্ত দিয়ে প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমারে পাচারের সময় ১০০ বস্তা সরকারি ইউরিয়া সারসহ একটি মিনি ট্রাক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


সোমবার (২৯ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ১০ মিনিটে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর অধীনস্থ মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে বিজিবি এবং উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ অভিযানে এই সারের চালানটি আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে একটি মিনি ট্রাকে করে চোরাকারবারিরা ইউরিয়া সারের একটি বড় চালান রামু হয়ে কুতুপালং সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমারে পাচার করবে। এই সংবাদের ভিত্তিতে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রামু ও উখিয়া উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে আসার অনুরোধ করা হয়। কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে যৌথ অভিযানের প্রস্তুতি নেওয়া হয়।

পরবর্তীতে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর পরিচালক ও অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদের সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং সহকারী পরিচালক মোঃ কবির হোসেনের নেতৃত্বে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টের একটি বিশেষ টহলদল সন্দেহভাজন মিনি ট্রাকটিকে থামায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মিনি ট্রাকের চালক সারের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে বলে দাবি করেন। তবে উখিয়া ও রামু উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাগণ সারের সপক্ষে বৈধ ডিলারের কাগজপত্র কিংবা চালান দেখাতে বললে চালক ও তার সহযোগী ব্যর্থ হন।

পরবর্তীতে মঙ্গলবার সকাল ৯টার দিকে উখিয়া ও রামু উপজেলার কৃষি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ট্রাকটিতে তল্লাশি চালিয়ে আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা মূল্যের ১০০ বস্তা অবৈধ ইউরিয়া সার উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।

আটককৃত চোরাকারবারিরা হলেন— বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার সোনাচুড়ি গ্রামের রফিক আলমের ছেলে ট্রাকচালক মোঃ ছৈয়দ করিম (২৮) এবং কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের পশ্চিম পালংখালী এলাকার সৈয়দ কাশেমের ছেলে মোঃ জাহেদ (২৫)।

বিজিবির জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা এই ইউরিয়া সারগুলো উখিয়ার কুতুপালং বাজারে অবৈধভাবে মজুদ রাখত। পরবর্তীতে সুযোগ বুঝে পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের সীমান্ত দিয়ে তা মায়ানমারের অভ্যন্তরে পাচার করে আসছিল।

রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) এর পরিচালক ও অধিনায়ক লেঃ কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দেশের কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার পার্শ্ববর্তী দেশে পাচারের এই চেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে। জব্দকৃত সার এবং আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...