বিজ্ঞাপন
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে আশরাফ আলী ও তার সহযোগীরা মৃত আব্দুল কাইয়ুমের ছেলে আব্দুল আউয়াল খন্দকারের বসতভিটা, আবাদি জমি ও পুকুরের ওপর জোরপূর্বক দখল নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ সময় তারা বিভিন্ন কৃষিজ গাছপালা ভাঙচুর করেন। বাধা দিতে গেলে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহযোগিতায় আব্দুল আউয়াল খন্দকার নীলফামারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
রোববার সরেজমিনে গেলে ভুক্তভোগী আব্দুল আউয়াল খন্দকার ও তার পরিবারের সদস্যরা জানান, সংশ্লিষ্ট জমির প্রকৃত মালিক ছিলেন তাদের পিতা মৃত আব্দুল কাইয়ুম এবং জমির সব দলিলপত্র সঠিক রয়েছে। তারা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এসব জমি দেখাশোনা ও ভোগদখল করে আসছেন।
আব্দুল আউয়াল খন্দকার বলেন, “এর আগেও এসব জমি নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি ও বিরোধ সৃষ্টি করা হয়েছিল। তখন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আশরাফ আলীকে জমির দলিলপত্র দেখানোর জন্য বললেও তিনি তা এড়িয়ে যান। বর্তমানে তিনি ও তার সহযোগীরা আমাদের এবং আমাদের পরিবারের ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন।”
অন্যদিকে আশরাফ আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, তাদের বাবার নামে ওই জমির রেকর্ড রয়েছে। তবে এ সংক্রান্ত কোনো দলিলপত্র তাদের কাছে নেই বলেও তারা স্বীকার করেন।
এ বিষয়ে নীলফামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিল্লুর রহমান বলেন, “এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...