বিজ্ঞাপন
শনিবার (১লা আগস্ট) বিকেলে জেলা সদরের ডিসি মোড়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মী ও সাধারণ জনগণ অংশগ্রহণ করেন।
সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলার আমীর ও সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওঃ আব্দুস সাত্তার।
এছাড়া, গণ-সমাবেশে জুলাইয়ের চেতনা রক্ষা এবং ‘জুলাই সনদ’ প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরেন বক্তারা।
এসময় নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য মাও. আব্দুস সাত্তার বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদের রক্তের বিনিময়ে যে আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছিল, তা যদি অবিলম্বে ‘জুলাই সনদ’ আকারে রাষ্ট্রে বাস্তবায়িত ও প্রতিষ্ঠিত না হয়, তবে প্রয়োজনে রাজপথে আবার আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। ছাত্র-জনতার রক্তের সাথে কোনো ধরনের আপস বরদাশত করা হবে না।”
এদিকে, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী, জেনারেল মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান আমাদের শিখিয়েছে কীভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হয়। রাজপথে আমাদের ভাইদের তাজা রক্ত বৃথা যেতে পারে না। অনতিবিলম্বে জুলাই সনদ প্রতিষ্ঠিত করে বৈষম্যহীন ও ইনসাফভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে হবে।
নীলফামারী-২ আসনের সংসদ সদস্য, অ্যাড. আলফারুক আব্দুল লতীফ, “জুলাইয়ের আন্দোলন ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াই। এই লড়াইয়ের ফসল হিসেবে জুলাই সনদকে রাষ্ট্রের সংবিধানে ও আইনি কাঠামোতে পূর্ণ রূপ দিতে হবে। সনদ বাস্তবায়নে বিলম্ব হলে জামায়াতে ইসলামী জনগণকে সাথে নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবে।”
এছাড়াও নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফি, বলেন, “২৪-এর জুলাইয়ে আমাদের তরুণ প্রজন্ম রাজপথে জীবন দিয়ে নতুন বাংলাদেশ উপহার দিয়েছে। সেই অর্জনকে নস্যাৎ হতে দেওয়া যাবে না। জুলাই সনদের প্রতিটি দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। ”
নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ আব্দুল মুনতাকিম, এমপি বলেন, “জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদদের আত্মত্যাগের একমাত্র প্রতিদান হলো জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন। সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের আপামর জনতাকে সাথে নিয়ে আমরা জুলাই সনদের মূল ভাবধারা প্রতিষ্ঠা এবং যেকোনো চক্রান্তের বিরুদ্ধে রাজপথ উত্তপ্ত রাখতে পিছপা হব না।”
সমাবেশ শেষে একটি গণ-মিছিল বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...