বিজ্ঞাপন
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার সালমা আক্তার (৩৪), কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার হৃদয় হাসান (২৪) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার মিনা বেগম (৪৬)।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ময়মনসিংহ র্যাব-১৪-এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল মদন উপজেলার উচিতপুর ট্রলার ঘাট এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে। র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তাদের সঙ্গে থাকা মালামাল তল্লাশি করে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে রাখা ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে পেশাদার মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তারা সীমান্তবর্তী জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে কম মূল্যে গাঁজা সংগ্রহ করে নেত্রকোনার বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রির উদ্দেশ্যে এনেছিলেন। হাওরাঞ্চল উচিতপুরের ট্রলার ঘাটকে ট্রানজিট রুট হিসেবে ব্যবহার করে এই মাদক অন্য এলাকায় সরানোর পরিকল্পনা ছিল তাদের।
আটকের পর আসামিদের উদ্ধারকৃত আলামতসহ মদন থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকালে তাদের নেত্রকোনা জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন করিম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়েরের পর আজ যথাযথ পুলিশ পাহারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের এ ধরনের কঠোর ও জিরো টলারেন্স অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...