ছবিঃ ইন্টারনেট
বিজ্ঞাপন
ট্রাম্প জানান, একটি সম্ভাব্য চুক্তির খসড়া ফ্রেমওয়ার্কে দুই পক্ষ সম্মতি জানানোর পর ইরান ও মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য মিত্র দেশগুলোর অনুরোধের প্রেক্ষিতে তিনি প্রস্তাবিত হামলা স্থগিতের নির্দেশ দিয়েছেন। তবে, শর্ত হিসেবে এই চুক্তিটি দ্রুত ও চূড়ান্তভাবে সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ভাষ্যমতে, এই চুক্তির ফলে বিশ্ব বাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ ‘হরমুজ প্রণালী’ অবিলম্বে, সম্পূর্ণ ও সার্বিকভাবে উন্মুক্ত হবে এবং একইসঙ্গে ইরানের পারমাণবিক হুমকির চূড়ান্ত অবসান ঘটবে।
মার্কিন প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের পেছনে পর্দার অন্তরালে বড় ধরনের কূটনৈতিক আলোচনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম 'অ্যাক্সিওস'-এর সূত্রমতে, হামলা বাতিলের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। শনিবার তিনি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দূরভাষে কথা বলেন এবং সংঘাত বাড়িয়ে এই অঞ্চলে নতুন কোনো রক্তক্ষয়ী সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার ও পুনরায় কূটনৈতিক আলোচনায় ফেরার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, এর আগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে “খুব কঠোর” সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মধ্যপ্রাচ্যের ১০টি দেশে অবস্থানরত আমেরিকানদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে এবং তাদের দ্রুত দেশ ছাড়ার কথা বিবেচনা করতে নির্দেশ দিয়েছিল। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি হামলা স্থগিতের ঘোষণার আগে তাঁর সৌদি সমকক্ষের সঙ্গে আলাপে সতর্ক করেছিলেন— যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েল যদি হামলা চালায়, তবে ইরান ‘সমানুপাতিক ও কঠোর জবাব’ দেবে। বর্তমানে ট্রাম্পের এই নতুন পদক্ষেপে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশ থেকে যুদ্ধমেঘ সাময়িকভাবে কেটে গেলেও, তেহরানের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...