বিজ্ঞাপন
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট পরিবর্তনের পর বিভিন্ন এলাকায় নতুন করে সক্রিয় হওয়া অপরাধী চক্র ও বিগত সরকারের সুবিধাভোগী ক্যাডারদের সমন্বয়ে সৃষ্টি হওয়া গোলযোগের ধারাবাহিকতাতেই এই হামলা বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত নেতাকর্মীরা হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে উত্তাল স্লোগান দেন। ঘটনার পর নিয়মিত মামলা দায়ের করা হলেও এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করতে না পারায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন ছাত্রদল নেতারা। তারা অবিলম্বে নিষ্ক্রিয়তার দায়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) পদত্যাগ দাবি করেন এবং আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারনামীয় সব আসামিকে গ্রেপ্তারের আলটিমেটাম দেন।
থানার গেটে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় রাজনীতিতে ছাত্রদলের প্রদীপ্ত ও উদীয়মান নেতৃত্বকে ভয় দেখিয়ে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড স্তব্ধ করে দেওয়ার হীন উদ্দেশ্যেই এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ গোষ্ঠী এখন মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসী চক্রকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে রাজপথের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দিয়ে বক্তারা স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, ছাত্রদল কোনো অন্যায়-অত্যাচার কিংবা সন্ত্রাসী হুমকির কাছে মাথা নত করবে না। দ্রুততম সময়ে আসামিদের সুনির্দিষ্টভাবে আইনের আওতায় না আনা হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর ও অবরোধমূলক কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন নেতৃবৃন্দ।
উক্ত বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা জাসাসের সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, সাতক্ষীরা জেলা তাঁতি দলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহেব আলী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি প্রার্থী মোহাম্মদ নাহিদ হাসান এবং আলিপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আশরাফুল ইসলাম জিকুসহ বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা ইউনিটের শীর্ষ সারির নেতৃবৃন্দ। তীব্র প্রতিবাদ সমাবেশ শেষে সদর থানার সামনে থেকে একটি সুসংগঠিত প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে জেলা শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে সমাবেশ সমাপ্ত হয়।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...