বিজ্ঞাপন
আটক ব্যক্তিরা হলেন—চট্টগ্রাম জেলার লোহাগাড়া থানার আন্দাজ মানিক আওয়ালা পাড়া এলাকার মো. মোজার মিয়ার ছেলে মো. জসিম (৩৫) এবং একই এলাকার মৃত ফয়জুল আহমদের ছেলে মো. আলমগীর (৪৯)।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বিজিবি কক্সবাজার রিজিয়নের আওতাধীন রামু সেক্টরের ৩০ ব্যাটালিয়ন দায়িত্ব পালন করে আসছে। গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৩০ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদীর দিকনির্দেশনায় সহকারী পরিচালক মো. কবির হোসেনের নেতৃত্বে মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টে তল্লাশি জোরদার করা হয়।
শুক্রবার সকাল সোয়া ১১টার দিকে সন্দেহজনক একটি মোটরসাইকেল চেকপোস্টে পৌঁছালে বিজিবি সদস্যরা সেটিকে থামার সংকেত দেন। এ সময় মোটরসাইকেলচালক মো. জসিমকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি মাদক বহনের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে তাদের আচরণে সন্দেহ বৃদ্ধি পাওয়ায় মোটরসাইকেলটিতে পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশি চালানো হয়। একপর্যায়ে জ্বালানি তেলের ট্যাংকের ভেতরে বিশেষভাবে তৈরি গোপন চেম্বার থেকে স্কচটেপে মোড়ানো ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে সদা জাগ্রত থেকে সীমান্ত পাহারা, অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকানো এবং আন্তঃরাষ্ট্রীয় সীমান্ত অপরাধ দমনে রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) ধারাবাহিকভাবে পেশাদারিত্ব বজায় রেখে আসছে। সীমান্তবর্তী মাদক রুটগুলো বন্ধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারির কারণে বড় বড় মাদকের চালান জব্দ করা সম্ভব হচ্ছে।
রামু ব্যাটালিয়নের (৩০ বিজিবি) পরিচালক ও অধিনায়ক লে. কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে মাদকের বিস্তার রোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আটককৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রচলিত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরসহ জব্দকৃত ইয়াবা ও মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...