বিজ্ঞাপন
আজ রোববার (৩০ আগস্ট) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে চিফ প্রসিকিউটর এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, "সাগর-রুনি হত্যা মামলার মূল তদন্ত আমাদের সংস্থা করছে না, এটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) করছে। তবে অন্য একটি মামলার তদন্তপ্রক্রিয়া চলাকালে আমরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্রের (ক্লু) সন্ধান পেয়েছি। ঠিক যেভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মেজর মোজাফফরের বিষয়ে কিছু সূত্র পাওয়া গিয়েছিল, তেমনি সাগর-রুনি হত্যা মামলার ক্ষেত্রেও একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র আমাদের হাতে এসেছে। তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই তাঁর নাম বা পরিচয় প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।"
তিনি আরও যোগ করেন, "আমরা নিশ্চিত করতে পারি যে এক জন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সঙ্গে এই হত্যাকাণ্ডের গভীর সংযোগ পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি বর্তমানে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ওপর কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। তদন্তে আরও সুনির্দিষ্ট ও বস্তুনিষ্ঠ প্রমাণ পাওয়া গেলে পিবিআইয়ের তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সব ধরনের তথ্য দিয়ে সহায়তা করা হবে।"
মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে চিফ প্রসিকিউটর স্পষ্ট করেন যে, এটি একটি পৃথক ফৌজদারি হত্যা মামলা হওয়ায় এর চূড়ান্ত বিচার কাজ সংশ্লিষ্ট দায়রা আদালতে অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে গত ২৭ আগস্ট বহুল আলোচিত এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের ধার্য তারিখ আবারও পিছিয়ে যায়। ওই দিন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআই প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় আদালত আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নতুন দিন ধার্য করেন। এর মধ্য দিয়ে মামলাটির তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময়সীমা রেকর্ড ১২৯ বারের মতো পিছিয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারে নিজ বাসভবনে নৃশংসভাবে খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার এবং এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি। দীর্ঘদিন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অধীনে তদন্তাধীন থাকার পর বাদীপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট মামলাটি তদন্তে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশ দেন। বর্তমানে পিবিআই মামলাটির সার্বিক তদন্ত পরিচালনা করছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...