Logo Logo

উখিয়া ব্যাটালিয়ন ৬৪ বিজিবি’র পৃথক অভিযানে ২ লক্ষ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক-০১


Splash Image

কক্সবাজারের উখিয়া সীমান্তে ধারাবাহিক সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে আড়াই লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৬৪ বিজিবি)। এসব অভিযানে ইয়াবা পাচারের সঙ্গে সরাসরি জড়িত এক মাদক কারবারিকে আটক করা হলেও অপর ঘটনায় পাচারকারীরা মালামাল ফেলে পালিয়ে যায়।


বিজ্ঞাপন


বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, প্রথম অভিযানটি পরিচালিত হয় গত বৃহস্পতিবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাতে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধীনস্থ খারাংখালী বিওপির একটি বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী বিএসপি পোস্ট এলাকায় কৌশলগত অবস্থান নেয়। রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে মিয়ানমার সীমান্ত অতিক্রম করে দুই ব্যক্তিকে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশ করতে দেখে বিজিবি সদস্যরা তাদের চ্যালেঞ্জ করেন। বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারিরা তাদের সাথে থাকা দুটি বড় পোটলা ফেলে রাতের আঁধারে গ্রামের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে ফেলে যাওয়া পোটলা থেকে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ২০টি কার্ডে প্রায় ২ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এদিকে, দ্বিতীয় সফল অভিযানটি পরিচালিত হয় শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে ৬৪ বিজিবির পালংখালী বিওপির টহল দল আনজুমানপাড়ার ফাইসা খাল নুরুল বশর ঘের সংলগ্ন বেড়িবাঁধে অবস্থান নেয়। ভোর আনুমানিক সোয়া দুইটার দিকে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে মাছের ঝুঁড়ি হাতে এক ব্যক্তিকে জেলের ছদ্মবেশে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তার গতিবিধি সন্দেহজনক হওয়ায় বিজিবি টহল দল তাকে থামার নির্দেশ দেয়। ওই ব্যক্তি দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা ধাওয়া দিয়ে তাকে আটক করেন।

আটক ব্যক্তির নাম মো. ইমরান (৩৪)। তিনি উখিয়া থানার নলবনিয়া গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে। পরবর্তীতে ইমরানের সাথে থাকা মাছের ঝুঁড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কৌশলে লুকানো ৫টি কার্ডে ৫০ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। একই সাথে তার কাছ থেকে একটি বাটন মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ইমরান স্বীকার করেছে, সে মিয়ানমার থেকে কম দামে এসব মাদক সংগ্রহ করে দেশের অভ্যন্তরে চড়া মূল্যে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিল।

উখিয়া ৬৪ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম, শুক্রবার সকালে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সীমান্ত দিয়ে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। মাদক সরবরাহ চেইনে যুক্ত মূল হোতাদের শনাক্ত করতে সীমান্তে কঠোর নজরদারি ও গোয়েন্দা তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়েরসহ জব্দকৃত মাদকদ্রব্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...