Logo Logo

নোয়াখালীতে কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বাড়ি-সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ


Splash Image

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার এখলাসপুর ইউনিয়নে এক কেয়ারটেকারের বিরুদ্ধে বাড়ি ও সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা এবং ভুক্তভোগী পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে।


বিজ্ঞাপন


শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এসব অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে তারা দাবি করেন, এখলাসপুর মৌজায় জি. আর. রশিদ আহমেদ ও জি. আর. তৌফায়েল আহমেদের বাড়ি ও সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা করছেন নাসির উদ্দিন তরুণ। ভুক্তভোগী মো. আসিফ আরেফিন আহমেদ অভিযোগ করেন, গত ৩১ আগস্ট আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনে কেয়ারটেকার নাসির উদ্দিন তরুণ তাদের পরিবারকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য প্রচার করেছেন। সম্পত্তি ও বাড়িঘর নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে তাদের হয়রানি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জি আর রশীদ ও জি আর তোফায়েল আহমেদ ওই বাড়ির ১১৩ শতাংশ জমির অংশ ক্রয় করেছেন। কেয়ারটেকার নাসির উদ্দিন তরুণ বাড়িটি নিজের নামে করে নেওয়ার জন্য নানা চক্রান্ত করছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়, মৃত জি. আর. রশিদ আহমেদ মোট ১১৩ শতাংশ জমির মালিক ছিলেন। তার ওয়ারিশদের কাছ থেকে রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে ৩২ শতাংশ জমি ক্রয় করেন আবুল কাশেম। মৃত জি. আর. রশিদ আহমেদের ওয়ারিশ হিসেবে তার স্ত্রী জোহরা আহমেদ, ছেলে আসিফ আরেফিন আহমেদ এবং মেয়েরা শারমিন হোসেন, নাজনীন আহমেদ ও তাজনীম আহমেদ ওয়ারিশসূত্রে সম্পত্তির মালিক হন। তারা নামজারি খতিয়ানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধ করে জমি ভোগদখল করে আসছিলেন। পুরাতন ঘরটি সংস্কার করতে গেলে তরুণ গং তাদের ওপর হামলা চালায়। ভুক্তভোগীরা প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে তাদের সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং মিথ্যা তথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন আবুল কাশেম, মো. আসিফ আরেফিন আহমেদ, জোহরা আহমেদ, শারমিন হোসেন ও নাজনীন আহমেদসহ অন্যরা।

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নাসির উদ্দিন তরুণ বলেন, আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...