Logo Logo

টেকনাফে বিজিবির বড় সাফল্য: ৪২ কোটি টাকার ১৪ লাখ ইয়াবাসহ আটক ২


Splash Image

মোহাম্মদ শাহজাহান, উপজেলা প্রতিনিধি, রামুঃ কক্সবাজারের টেকনাফে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক বিশেষ অভিযানে প্রায় ৪২ কোটি টাকা মূল্যের ১৪ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


এ সময় অভিনব কায়দায় নৌকায় মাদক বহনের অভিযোগে দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বিজিবি।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রামু সেক্টরের আওতাধীন উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) একটি দল টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা সীমান্ত এলাকায় এ সফল অভিযান পরিচালনা করে।

আটককৃতরা হলেন টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের জেলে পাড়ার গোপাল দাসের ছেলে জয়ঘর দাস (৫০) এবং একই ইউনিয়নের ফুলের ডেইল এলাকার মো. শফিকের ছেলে মো. হোসাইন (২০)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, হ্নীলা সীমান্ত দিয়ে ইয়াবার একটি বড় চালান দেশে প্রবেশের গোপন গোয়েন্দা তথ্য পায় ৬৪ বিজিবি। এর প্রেক্ষিতে এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন ও প্রযুক্তিভিত্তিক পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি বিশেষ টহল জোরদার করা হয়। এর আগে গত ৩ ও ৪ সেপ্টেম্বর রাতের আঁধারে হ্নীলার হারবাং এলাকা দিয়ে পাচারের সময় অভিযান চালিয়ে তিন লাখ পিস ইয়াবাসহ দুইজনকে আটক করেছিল বিজিবি।

রাতের বেলা কড়া নজরদারির কারণে সুবিধা করতে না পেরে চোরাকারবারিরা কৌশল বদলায়। বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে জেলের ছদ্মবেশে একটি নৌকায় করে হ্নীলা বিওপির স্লুইস গেট এলাকা দিয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে তারা। গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হলে বিজিবির টহল দল তাদের থামার নির্দেশ দেয়। তারা পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া দিয়ে দুজনকে আটক করা হয়।

পরে নৌকায় তল্লাশি চালিয়ে সরাসরি কিছু না পাওয়া গেলেও দেখা যায়, নৌকার নিচে দড়ি দিয়ে অভিনব কৌশলে বাঁধা অবস্থায় পানিতে ভাসছে কয়েকটি বস্তা। বস্তাগুলো খুলে খাকি প্যাকেটে মোড়ানো ১৪০টি প্যাকেটে মোট ১৪ লাখ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়, যার বাজারমূল্য আনুমানিক ৪২ কোটি টাকা।

উখিয়া ব্যাটালিয়নের (৬৪ বিজিবি) অধিনায়ক কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আটক আসামিদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে নিয়মিত মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে উখিয়া ব্যাটালিয়ন চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত সর্বমোট ১ কোটি ৪৩ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার এবং ২৪৩ জন আসামিকে আইনের আওতায় এনেছে। সীমান্তে মাদক, অস্ত্র ও চোরাচালান প্রতিরোধে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিকদের সঙ্গে নিয়ে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...