বিজ্ঞাপন
আহত স্কুলছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যাংক ম্যানেজারকেও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঝালকাঠি মহিলা কলেজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত স্কুলছাত্রী অর্পিতা সরকার ঝালকাঠি কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। অপর আহত ব্যক্তি পঙ্কজ কান্তি বিশ্বাস ঝালকাঠির মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ম্যানেজার।
প্রত্যক্ষদর্শী মোখলেছুর রহমান ও মিঠুন চন্দ্র দাস জানান, বিকেলে অর্পিতা রাস্তার পাশ দিয়ে পশ্চিম দিকে যাচ্ছিল। এ সময় পেছন থেকে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল তাকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হয় অর্পিতা। পরে মোটরসাইকেলটি তার দুই পায়ের ওপর দিয়ে গিয়ে ব্যাংক ম্যানেজার পঙ্কজ কান্তি বিশ্বাসকেও ধাক্কা দেয়। এতে তিনিও গুরুতর আহত হন।
ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. মো. জাবির হাসান দিপু জানান, স্কুলছাত্রী অর্পিতার দুটি পা ভেঙে গেছে। এছাড়া তার মাথায় গুরুতর আঘাত রয়েছে এবং কান দিয়ে রক্তপাত হচ্ছিল। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় দ্রুত বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ব্যাংক ম্যানেজার পঙ্কজ কান্তি বিশ্বাসেরও মাথা ও পায়ে আঘাত রয়েছে।
ঘটনার পর ঝালকাঠি কালেক্টরেট স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক সাগর ইসলাম বলেন, যেভাবে শিক্ষার্থী অর্পিতাকে মোটরসাইকেলটি ধাক্কা দিয়েছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ। বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালকদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এদিকে দুর্ঘটনায় জড়িত মোটরসাইকেল চালক শিহাবের বাবা ঝালকাঠি শহরের টিনপট্টি সড়কের ব্যবসায়ী ফরিদ আহমেদ বলেন, ‘শিহাব আমার ছোট ছেলে। সে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ও কেন যে আমাকে এত বিপদে ফেলল—আমার ভাগ্যই খারাপ।’
ঝালকাঠি সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সৈয়দ বশির হাসান জানান, দুর্ঘটনার পর মোটরসাইকেলটি ঘটনাস্থল থেকে জব্দ করা হয়েছে। শহরের টিনপট্টি সড়কের ব্যবসায়ী ফরিদ আহমেদের ছোট ছেলে শিহাব মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ঘটনায় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...