বিজ্ঞাপন
গত ১৭ আগস্ট চট্টগ্রামের হালিশহর ও দেওয়ানহাট এবং ঢাকার একটি সরকারি গুদাম থেকে চালের নমুনা সংগ্রহ করে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রতিনিধিদল। পরীক্ষায় কয়েকটি নমুনায় আফলাটক্সিনের উপস্থিতি পাওয়া যায়।
ব্রি’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. কাজী শিরীন আক্তার জাহান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সংরক্ষিত চালে আফলাটক্সিন তৈরি হতে পারে। নমুনায় যা শনাক্ত হয়েছে, তার মাত্রা সহনীয় পর্যায়েই রয়েছে। তবে সহনীয় মাত্রা ছাড়ালে এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রতিষ্ঠান অ্যাগ্রোকর্প ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে প্রতি টন ৩৫৩ দশমিক ১১ ডলার দরে ৫০ হাজার টন চাল আমদানির চুক্তি করেছিল বাংলাদেশ। এর শেষ চালান হিসেবে গত ২১ জুলাই চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায় ১০ হাজার ৮৭৮ টন চাল। প্রাথমিক পরীক্ষায় খাওয়ার উপযোগী ঘোষণা করে চাল খালাসের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
তবে মান নিয়ে আপত্তি ওঠায় প্রায় ১ হাজার ৩৭৮ টন চাল জাহাজে ফেরত পাঠানো হয়। বাকি ৯ হাজার ৫০০ টন দেশের বিভিন্ন সরকারি গুদামে পাঠানো হয়।
আফলাটক্সিন শনাক্তের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, যৌথভাবে সংগৃহীত নমুনা ভারতের পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করে চুক্তির শর্ত পূরণের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল। এমনকি ব্রিতে পরীক্ষা করা সিলগালা নমুনাতেও আফলাটক্সিন পাওয়া যায়নি বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
এদিকে, খাদ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক এম জসিম উদ্দিন খান পরীক্ষার ফলাফল না আসা পর্যন্ত চাল বিতরণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তবে নমুনায় আফলাটক্সিনের সুনির্দিষ্ট মাত্রা এবং পরবর্তী করণীয় এখনো প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...