বিজ্ঞাপন
আজ ২ নভেম্বর (সোমবার) সকাল ১১টায় সাতক্ষীরা পাকাপোলের ওপর এই কর্মসূচি পালিত হয়। বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, সাতক্ষীরা জেলা ইউনিট কমান্ডের আয়োজনে এ প্রতিবাদ সমাবেশে তিন শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা ছাড়াও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সাতক্ষীরা জেলা ইউনিটের আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভাটি সঞ্চালনা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট মোস্তফা নুর আলম।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সৈয়দ ইফতেখার আলী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ১৯৭১ সালে পরাজিত শক্তি আজও তাদের ক্ষুধার্ত হায়নার রূপ নিয়ে বাংলাদেশের মাটিতে নতুন করে চক্রান্ত শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় তারা পিরোজপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর জানাজা ও দাফনে বাঁধা সৃষ্টি করেছে।
তিনি আরও বলেন, "একজন মুসলমান কীভাবে আরেকজন মুসলমানের দাফন ও জানাজায় বাঁধা দিতে পারে? তারা নিজেদের মুসলিম দাবি করলেও তা বিশ্বাস করতে আমাদের কষ্ট হয়। ৭১-এর এই পরাজিত শক্তি শুধু এখানেই ক্ষান্ত হয়নি, তারা ইতিপূর্বে দেশের শতাধিক মাজার ভেঙে চুরমার করেছে। এমনকি দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে পুড়িয়ে দেওয়ার মতো জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছে।" তিনি দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করেন, এ দেশ রাজাকারের নয়, এ দেশ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এবং যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন তাদের।
প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবুল কাশেম, ডেইলি স্টার নিজস্ব প্রতিনিধি ও সিনিয়র সাংবাদিক কল্যাণ ব্যানার্জি, বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর হোসেন, আব্দুর রউফ, আব্দুল হামিদ, আব্দুস সোবহান, শফিক আহমেদ, রফিকুল ইসলাম, গণফোরাম নেতা আলিনুর খান বাবুল, জাসদ নেতা হেলালু রহমান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের নেতা আশিকি এলাহি, সিপিপি নেতা আবুল হোসেন, ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা স্বপন কুমার শীল, এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা অবিলম্বে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবমাননাকারী এবং স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তির এ ধরনের অপতৎপরতা বন্ধ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...