Logo Logo

ব্যবসা দখল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ভাসুরের বিরুদ্ধে জিডি


Splash Image

ঝালকাঠিতে প্রয়াত সাংবাদিক মো. মনিরুজ্জামান মনিরের ভাসুর আবুল বাশার শামীমের বিরুদ্ধে ব্যবসা দখল, ৫০ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও জীবননাশের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাংবাদিকের স্ত্রী শারমিন আক্তার ঝালকাঠি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। বিষয়টি আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে পুলিশ।


বিজ্ঞাপন


জিডি সূত্রে জানা যায়, স্বামীর মৃত্যুর পর জমি বিক্রি ও পরিবহন ব্যবসার আয় থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা নেন শামীম। টাকা ফেরত চাইলে শামীম ও তার ছেলে সাইদুল বাশার স্বরণ শারমিন আক্তারকে একাধিকবার প্রাণনাশের হুমকি দেন। সর্বশেষ গত ২৮ জুলাই তারা ভুক্তভোগীর বাসায় গিয়ে গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

শারমিন আক্তারের অভিযোগ, স্বামী মারা যাওয়ার পর ভাসুর শামীম ওয়ারিশ সার্টিফিকেট ও জমিজমার কাগজপত্র তৈরির কথা বলে বিভিন্ন নথিতে স্বাক্ষর ও ছবি নেন। পরে সেগুলো দিয়ে এফিডেভিট তৈরি করে তাকে নিজের স্ত্রী হিসেবে প্রচারের চেষ্টা করেন। তাদের শ্বশুর আব্দুল মজিদ হাওলাদার ২০২২ সালে মারা গেলে শামীম পরিবারের জমিজমা ও বরিশাল বাস মালিক সমিতির দুটি বাসের নিয়ন্ত্রণও নিজের দখলে নেন।

প্রসঙ্গত, সাংবাদিক মনিরুজ্জামান মনির ঝালকাঠি পৌরসভার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও শহরের ধানসিড়ি রেস্ট হাউজের প্রতিষ্ঠাতা আব্দুল মজিদ হাওলাদারের ছোট ছেলে। তিনি দৈনিক ভোরের কাগজ ও দেশ টিভি-এর ঝালকাঠি প্রতিনিধি ছিলেন। এছাড়া তিনি ঝালকাঠি প্রেসক্লাব ও টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতির সদস্য ছিলেন। ২০১৩ সালে মৃত্যুর আগে থেকে মনির তার স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে শহরের বাহের রোডের বাবার বাড়িতে বসবাস করতেন।

ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, আদালতের নির্দেশে এএসআই অনিমেষ বিশ্বাস ঘটনাটির তদন্ত করছেন। দ্রুতই আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে।

শারমিন আক্তার বলেন, “আমার ভাসুর শামীম নিজের স্বার্থের জন্য যেকোনো কিছু করতে পারেন। শুধু টাকা আত্মসাৎ নয়, আরও অনেক জঘন্য কাজ তিনি করেছেন। সময় হলে সব প্রকাশ করব।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আবুল বাশার শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন কেটে দেন। পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...