Logo Logo

পিআরের অযুহাতে ফেব্রুয়ারি'র নির্বাচন ঠেকানো যাবে না : সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ


Splash Image

নেত্রকোনার ঐতিহাসিক মোক্তারপাড়া মাঠে শনিবার দুপুরে দীর্ঘ ১১ বছর পর জেলা বিএনপির ত্রিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।


বিজ্ঞাপন


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সালাহ্ উদ্দিন আহমেদ। তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘পি আর পদ্ধতি’ প্রয়োগ নিয়ে সরকারের ষড়যন্ত্র বন্ধের আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, “বাংলাদেশের সংবিধানে কোথাও ‘পি আর পদ্ধতি’ বলে কোনো শব্দ নেই। সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের ২ উপধারায় স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে, প্রত্যেক সংসদীয় আসনে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই পিআর পদ্ধতির নামে নির্বাচন বিলম্বিত করার যে ষড়যন্ত্র চলছে, তা কোনোভাবেই সফল হবে না। আমরা রক্ত দিয়ে, আন্দোলন করে ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছি। ফ্যাসিবাদ উৎখাত করেছি। এখন জনগণ নির্বাচনের জন্য উদগ্রীব। ফেব্রুয়ারিতে ঘোষিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেউ ঠেকাতে পারবে না।”

তিনি আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের ইতিহাস হলো গণতন্ত্র হত্যার ইতিহাস, সন্ত্রাস ও দমন-পীড়নের ইতিহাস, এমনকি ধর্ষণ ও হত্যার ইতিহাস। তাই পতিত স্বৈরাচার যেন আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সেজন্য সব স্বৈরাচারবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।”

সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক অধ্যাপক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব ডাঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সৈয়দ আলমগীর, জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবীব উন নবী খান সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ শরীফুল আলম, আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট শাহ্ ওয়ারেস আলী মামুন, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সহ-ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক এটিএম আব্দুল বারী ড্যানি, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল ফারুক, এডভোকেট খোরশেদ মিয়া আলম, অধ্যক্ষ রাবেয়া আলী, এডভোকেট আরিফা জেসমিন নাহীন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মাহফুজুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তাহের তালুকদার, সভাপতি প্রার্থী এডভোকেট মাফুজুল হক, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী এস এম মনিরুজ্জামান দুদু ও আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি।

সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শেষে দ্বিতীয় অধিবেশনে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মোট পাঁচজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...