বিজ্ঞাপন
বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএনপির দলীয় সূত্রে জানা গেছে, লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে তারেক রহমানকে বহনকারী বিমানটি ইতোমধ্যে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। তার সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা ১৭ মিনিটে তাদের বহনকারী ফ্লাইট ‘বিজি–২০২’ লন্ডন ত্যাগ করে। আজ বেলা ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এটি অবতরণ করার কথা রয়েছে।
তারেক রহমানের নিরাপত্তার স্বার্থে বিমানবন্দরে আগে থেকেই একটি বিশেষ বুলেটপ্রুফ গাড়ি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে গাড়িটি বিমানবন্দরে প্রবেশ করে। অবতরণের পর তিনি এই গাড়িতে করেই তার নির্ধারিত কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরে দর্শনার্থীদের প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মাঠে রয়েছে পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট ‘সোয়াট’ এবং বাড়ানো হয়েছে গোয়েন্দা নজরদারি।
বিমানবন্দরের ভিআইপি লাউঞ্জ ‘রজনীগন্ধা’য় সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতি শেষে তারেক রহমান সড়কপথে কুড়িল হয়ে ৩০০ ফিট এলাকায় যাবেন। সেখানে তার সম্মানে নির্মিত বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চে সমবেত জনতার উদ্দেশে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে। নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, তিনি দুপুর ৩টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন।
৩০০ ফিট এলাকা থেকে বসুন্ধরা জি ব্লকের গেট দিয়ে সরাসরি এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি বিকেল ৪টা ১০ মিনিট থেকে প্রায় এক ঘণ্টা চিকিৎসাধীন মা ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পাশে অবস্থান করবেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি গুলশান এভিনিউয়ের ১৯ নম্বর বাসভবন ‘ফিরোজা’য় যাবেন।
তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই বিমানবন্দর সড়ক ও সংলগ্ন এলাকায় হাজার হাজার নেতা-কর্মী জড়ো হতে শুরু করেছেন। শৃঙ্খলা রক্ষায় দলীয় স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তিন স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...