বিজ্ঞাপন
মনোনয়নপত্র সংগ্রহকালে মজিবুর রহমান মঞ্জুর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমেদ ভূঁইয়া, কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক মিয়া তৌফিক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও ফেনীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শাহ আলম বাদল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী জেলা এবি পার্টির আহ্বায়ক আহসান উল্যাহ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফলাতুন বাকী, সদস্য সচিব ফজলুল হক, যুগ্ম সদস্য সচিব নজরুল ইসলাম কামরুল এবং অর্থ সম্পাদক শাহীন সুলতানীসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
মনোনয়নপত্র সংগ্রহ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে এক আবেগঘন বক্তব্য রাখেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি প্রথাগত রাজনীতির সমালোচনা করে বলেন, "মানুষের কাছে নিজেকে যোগ্য দাবি করে ভোট চাওয়া সভ্য কাজ মনে না হলেও নির্বাচনের প্রয়োজনে আজ আমাকে তা করতে হচ্ছে। তবে আমি আমার যোগ্যতার চেয়ে অযোগ্যতার কথা বলতে বেশি আগ্রহী। ছাত্রজীবন থেকে ৩৫ বছর রাজনীতি করতে গিয়ে জেল-জুলুম সহ্য করেছি, কিন্তু মাথা নত করিনি। জনগণের জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার কোনো পূর্ব অভিজ্ঞতা বা সার্টিফিকেট নেই; ফেনীর জনগণের কাছে আমি সেই অভিজ্ঞতার সার্টিফিকেট ও একটি বিচার চাইতে এসেছি।"
মঞ্জু আরও উল্লেখ করেন, নতুন রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে তিনি বিভিন্ন সময় উপহাসের শিকার হয়েছেন। তিনি বলেন, "অনেকে আমাদের নতুন দলকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলেছেন—নতুন দলের কোনো বেল নেই, ভোট নেই। আমি ফেনী-২ আসনের জনগণের ওপর বিচার ছেড়ে দিচ্ছি; তারা ফায়সালা করবেন মানুষ ৫৪ বছরের পুরনো ভুল রাজনীতি থেকে মুক্তি চায় কি না। ভোটাররা যে রায় দেবেন, আমি তা হাসিমুখে মেনে নেব।"
ফেনীর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এবি পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, "ফেনীর উন্নয়নের জন্য কেবল ফাঁকা ওয়াদার দরকার নেই। যদি ফেনীতে রাজনৈতিক সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি এবং দখলদারিত্ব বন্ধ করা যায়, তবে এই শহরই হবে দেশের সবচেয়ে সুন্দর ও স্মার্ট শহর। প্রশাসনকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে দিলে এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সম্প্রীতি থাকলে ফেনী বদলে যাবে।" তিনি ফেনীকে দূষণমুক্ত ও শান্ত রাখতে সকল দলের মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...