Logo Logo

১৯ বছরের প্রতীক্ষার অবসান: বাবার কবরের পাশে অশ্রুসিক্ত তারেক রহমান


Splash Image

দীর্ঘ ১৯ বছর পর বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি রাজধানীর জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পৌঁছান। দীর্ঘ নির্বাসন এবং রাজনৈতিক নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে প্রিয় নেতার ও বাবার মাজারে উপস্থিত হয়ে তিনি এক আবেগঘন পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন। এ সময় তাঁর সাথে দলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


বিজ্ঞাপন


মাজারে পৌঁছে তারেক রহমান পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহীদ জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে ফাতেহা পাঠ ও মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। মোনাজাত চলাকালে দীর্ঘ সময়ের প্রতীক্ষা শেষে বাবার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে তাকে বেশ আবেগপ্রবণ দেখা যায়। মোনাজাত শেষে তিনি বেশ কিছুক্ষণ নীরবে কবরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং এ সময় তার চোখ ভিজে ওঠে। দলের নেতাকর্মীদের মাঝেও তখন পিনপতন নীরবতা ও আবেগ লক্ষ্য করা যায়।

তারেক রহমানের এই সফরকে কেন্দ্র করে জিয়া উদ্যান ও মাজার এলাকায় নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। দুপুর থেকেই কয়েক হাজার নেতাকর্মী ব্যানার ও ফেস্টুন হাতে প্রিয় নেতাকে এক নজর দেখতে সেখানে সমবেত হন। বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, বিজিবি, আনসারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়। জিয়ারত শেষে তারেক রহমানের সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর কথা রয়েছে।

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট পর্যালোচনায় জানা যায়, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে শহীদ জিয়ার মাজারে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। এরপর ১/১১ পরবর্তী রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের কারণে তিনি আর জিয়ারত করতে পারেননি। উল্লেখ্য, গতকাল (বৃহস্পতিবার) দীর্ঘ নির্বাসন কাটিয়ে দেশে ফেরার পর তিনি প্রথমে দলীয় নেতাকর্মীদের সংবর্ধনায় যোগ দেন এবং পরে অসুস্থ মা বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যান। আজ বাবার জিয়ারত সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ ১৯ বছরের বিচ্ছেদ ঘোচালেন।

মাজার জিয়ারতকালে তারেক রহমানের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং কেন্দ্রীয় ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতারা।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...