বিজ্ঞাপন
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া ৪টায় শেরপুর পৌর বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ সাংগঠনিক সভায় এ ঘোষণা দেওয়া হয়। শেরপুর টাউন ক্লাব পাবলিক লাইব্রেরি ও মহিলা অনার্স কলেজ চত্বরে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন শেরপুর পৌর বিএনপির সভাপতি স্বাধীন কুমার কুন্ডু।
সভায় সভাপতির বক্তব্যে স্বাধীন কুমার কুন্ডু বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা মুঠোফোনে তাকে জানিয়েছেন— জানে আলম খোকার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে। এ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে সভাস্থলে উপস্থিত নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ছড়িয়ে পড়ে।
বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের খবরে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। এ সময় কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়।
বিশেষ সাংগঠনিক সভায় শেরপুর পৌর বিএনপির কমিটির সব সদস্যসহ পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন শেরপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ, হাসানুল মারুফ, পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম, আইয়ুব আলী মণ্ডলসহ অন্যান্য নেতারা।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জানে আলম খোকা ২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসন থেকে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পরবর্তীতে ২০২১ সালের শেরপুর পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে নির্বাচন করে বিজয়ী হন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করার অভিযোগে ২০২০ সালের ৩০ ডিসেম্বর তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়।
শেরপুর শহর বিএনপির একাধিক সূত্র জানায়, বহিষ্কৃত থাকার পরও জানে আলম খোকা বিভিন্ন সময় দলীয় আন্দোলন ও কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তিনি একাধিক মামলায় রাজনৈতিক হয়রানির শিকার হন বলেও দলীয় নেতাদের দাবি।
সভায় বক্তব্যে জানে আলম খোকা বলেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী করতে দলের সব স্তরের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...