বিজ্ঞাপন
ইন্দোনেশীয় বার্তাসংস্থা 'অন্তরা নিউজ'-এর বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।
মানাদো পুলিশের কর্মকর্তা আলমসিয়াহ পি. হাসিবুয়ান জানান, রোববার গভীর রাতে যখন বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারা ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, তখনই আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সোমবার ভোর হয়ে যায়।
মানাদো ফায়ার সার্ভিস বিভাগের প্রধান জিমি রতিনসুলু জানিয়েছেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনটিতে থাকা বাসিন্দাদের অধিকাংশই বার্ধক্যজনিত কারণে শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল ছিলেন। ফলে আগুন লাগার পর তারা দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে পারেননি এবং ভবনের ভেতরেই আটকা পড়েন।
ইন্দোনেশীয় সংবাদমাধ্যম মেট্রো টিভিতে প্রচারিত ভিডিও চিত্রে দেখা গেছে, আগুনের লেলিহান শিখা পুরো বৃদ্ধনিবাস ভবনটিকে গ্রাস করে ফেলেছে। জীবন বাঁচাতে আটকে পড়া বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের আকুতি ও আর্তচিৎকারে সেখানকার পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে পুলিশ ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। বৈদ্যুতিক গোলযোগ নাকি অন্য কোনো কারণে এই বিপর্যয় ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনজনের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় পুরো মানাদো শহরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...