ছবি : সংগৃহীত।
বিজ্ঞাপন
বিকেলে তারেক রহমান কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পৌঁছালে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এবং দলের কোষাধ্যক্ষ এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত তাকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিবুন্নবী খান সোহেলসহ দলের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরাও তাদের নেতার আগমনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে দেওয়া সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তারেক রহমান জনদুর্ভোগ লাঘব এবং দেশ গঠনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “রাস্তা বন্ধ থাকলে সাধারণ মানুষের চলাচলে অসুবিধা হয়। আজ এখানে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন নেই, তাই আমরা দ্রুত রাস্তা খুলে দেওয়ার চেষ্টা করব যাতে মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত না হয়।”
নেতাকর্মীদের দেশ গড়ার কাজে উদ্বুদ্ধ করে তিনি আরও বলেন, “আমাদের যার যতটুকু অবস্থান আছে, সেখান থেকেই আসুন আমরা দেশটাকে নতুন করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। কোথাও যদি রাস্তায় একটি কাগজ পড়ে থাকে বা ময়লা জমে থাকে, দরকার হলে আমরা তা সরিয়ে দেব। এভাবে ছোট ছোট কাজের মাধ্যমেই আমরা আগামীর সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলব।”
তিনি জানান, অদূর ভবিষ্যতে যখন নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে, তখন তিনি নেতাকর্মীদের সামনে বিস্তারিত বক্তব্য রাখবেন।
দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর নয়াপল্টনের রাজনৈতিক অঙ্গনে তারেক রহমানের এই সরাসরি উপস্থিতি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এই উপস্থিতি দলের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাণচাঞ্চল্য ফেরানোর পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...