বিজ্ঞাপন
তথ্যা অনুসন্ধানে জানা যায়, উক্ত মেডিকেল রিপোর্ট গ্রহিতা নারী শিমুল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে শুধুমাত্র মাথায় হালকা চামড়া কেটে যাওয়ার চিকিৎসা নিয়েছেন। তার এক নিকট আত্মীয়কে আদালতে মামলা দিয়ে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে উক্ত ডাক্তারের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়েছেন। তার কয়েকটি প্রমাণও মিলেছে কিছু ফুটেজের মাধ্যমে এবং উক্ত চিকিৎসকের সাক্ষাতকারে।
এবিষয়ে যশোর জেলা জজ আাদালতে বিচারাধীন ২৩৯/২৫,মামলার বিবাদীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি উক্ত মামলার বাদীকে কোন প্রকার আঘাত করিনি এবং তার সাথে আমার কোনরকম মারামারিও হয়নি। তিনি নিজেই কিভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন আমি জানিনা।
সম্ভবত তিনি নিজেই নিজের মাথা কেটেছেন আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে। তিনি দুর্নীতির মাধ্যমে চিকিৎসক এবং তয় একটি পক্ষের সাথে যোগসাজশে এই মিথ্যা রিপোর্ট নিয়ে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। এর প্রমাণ স্বরূপ ভিডিও ফুটেজ সংরক্ষিত আছে বলে সাংবাদিককে উক্ত ভিডিও ফুটেজটি হস্তান্তর করেন।
এ ব্যাপারে চিকিৎসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ভুল হয়ে গিয়েছে।
এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, এ ব্যাপারে আমার কিছুই করার নাই, রিপোর্ট প্রদানকারী ডা. এটার জবাব দিবেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...