বিজ্ঞাপন
শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার লক্ষ্যে দাখিল করা তাঁর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই আহ্বান জানান। এদিন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান যাচাই-বাছাই শেষে সাকির প্রার্থিতা বৈধ বলে ঘোষণা করেন।
গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে জোনায়েদ সাকি বলেন, "জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যে ‘জাতীয় সনদ’ তৈরি হয়েছে, তার ভিত্তিতেই আগামী সংসদে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন হবে এবং সেই অনুযায়ী আগামীর বাংলাদেশ পরিচালিত হবে।"
তিনি এই সংসদকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে বলেন, "এটি কেবল একটি সাধারণ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, বরং এটি সংবিধান সংস্কার পরিষদেরও নির্বাচন। জনগণের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণের লক্ষ্যেই এই সংসদ গঠিত হতে যাচ্ছে।"
শান্তিপূর্ণ ও সুস্থ নির্বাচনী পরিবেশের ওপর গুরুত্বারোপ করে সাকি বলেন, "আমরা চাই একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিযোগিতার পরিবেশ, যেখানে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন। নির্বাচিত প্রতিনিধিরা সংসদে গিয়ে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করবেন।"
মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় সাকির সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলী আজমসহ বিএনপি ও গণসংহতি আন্দোলনের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। উল্লেখ্য, কৌশলগত কারণে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনটি জোটের শরিক দল গণসংহতি আন্দোলনের জন্য ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি।
এদিকে, এই আসনে বিএনপি দলীয়ভাবে সাকিকে সমর্থন দিলেও লড়াই হবে বহুমাত্রিক। একই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে সাবেক সংসদ সদস্য ও ডিআইজি এম এ খালেক এবং সাবেক বাকৃবিসু ভিপি ড. সাইদুজ্জামান কামালের। ফলে বাঞ্ছারামপুর তথা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা দেখছেন স্থানীয় ভোটাররা।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...