Logo Logo

গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের নেতৃবৃন্দের গণপদত্যাগ


Splash Image


বিজ্ঞাপন


আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত গোপালগঞ্জে দলটির সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের ধস নেমেছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে এবার মুকসুদপুর উপজেলার বিভিন্ন স্তরের ৫০ জন নেতাকর্মী একযোগে দলীয় পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তারা এই গণপদত্যাগের ঘোষণা দেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো উপজেলা জুড়ে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন সূত্রে জানা গেছে, মুকসুদপুর উপজেলার মহারাজপুর, ভাবড়াশুর ও বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নেতাকর্মী এই পদত্যাগের মিছিলে শামিল হয়েছেন। পদত্যাগকারী নেতাদের মধ্যে রয়েছেন মহারাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বাবুল ফকির, ভাবড়াশুর ইউনিয়নের জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, সমীর কুমার বিশ্বাস, সহ-সভাপতি বিধান চন্দ্র বিশ্বাস, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক গোবিন্দ বিশ্বাস এবং সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ মন্ডলসহ ১৭ জন গুরুত্বপূর্ণ নেতা।

অপরদিকে, বাঁশবাড়ীয়া ইউনিয়ন থেকেও পদত্যাগের হিড়িক লক্ষ্য করা গেছে। এই ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করেছেন আইন বিষয়ক সম্পাদক অনিল কৃষ্ণ বাইন, সদস্য বিজন ভক্ত, কৃষক লীগের নির্মল মন্ডল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক সুশীল কুমার পোদ্দার এবং কোষাধ্যক্ষ শুকান্ত টিকাদারসহ ৩২ জন নেতাকর্মী। পদত্যাগকারীদের তালিকায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের নামও রয়েছে, যা তৃণমূল পর্যায়ে দলটির সাংগঠনিক অস্তিত্বকে সংকটের মুখে ফেলেছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে পদত্যাগকারী নেতারা স্পষ্ট জানান, তারা স্বেচ্ছায় এবং সজ্ঞানে আওয়ামী লীগের সব প্রকার পদ-পদবি থেকে পদত্যাগ করছেন। তারা আরও উল্লেখ করেন, "বর্তমান পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এখন থেকে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং ভবিষ্যতেও থাকবে না।"

দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পর গোপালগঞ্জের মতো জেলায় এমন গণপদত্যাগ দলটির জন্য বড় ধরনের ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, তৃণমূলের এই গণপদত্যাগ অন্যান্য এলাকাতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন

আরো দেখুন


বিজ্ঞাপন

পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...