ছবি সংগৃহিত
বিজ্ঞাপন
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রসহ জেলার বিভিন্ন পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে অভিযুক্ত পরীক্ষার্থীদের আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এই দণ্ডাদেশ দেয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) শোভন সরকার জানান, শুক্রবার জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় মোট ১২ হাজার ৫৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন।
পরীক্ষা চলাকালে গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজ ও গোপালগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কক্ষগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের সন্দেহ হলে তিন পরীক্ষার্থীকে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি চালিয়ে অবৈধ ইলেকট্রনিক ডিভাইস ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
আটক পরীক্ষার্থীরা হলেন গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের সেকেন্দার আলী মোল্যার ছেলে মো. সাইফুল ইসলাম, একই উপজেলার দয়াময় বিশ্বাসের মেয়ে রত্না বিশ্বাস এবং মাদারীপুর জেলার কদমবাড়ী গ্রামের সুবল রায়ের মেয়ে বিথিকা রায়।
ঘটনার পরপরই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসানো হয়। আদালতের বিচারক গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বাবলী শবনম, কাশিয়ানী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহিন মিয়া ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফারদীন খান প্রিন্স সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে তিন পরীক্ষার্থীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন। রায় ঘোষণার পর দণ্ডপ্রাপ্তদের গোপালগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
এদিকে একই দিনে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে আরও তিন পরীক্ষার্থীকে পরীক্ষা থেকে বহিস্কার করা হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি ও আইনানুগ ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...