বিজ্ঞাপন
শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর বনানীস্থ হোটেল শেরাটনে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, “হিংসা বা প্রতিহিংসা কখনো ভালো কিছু বয়ে আনে না। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু মতবিভেদ যেন না হয়। দলমত নির্বিশেষে আমরা যদি ঐক্যবদ্ধ হই, তবে যেকোনো বড় সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।”
বিগত সরকারের সময়কার প্রতিকূল পরিস্থিতির কথা স্মরণ করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা ৫ই আগস্টের আগের সেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে আর ফিরে যেতে চাই না। সেই সময়ে ফিরে যাওয়ার কোনো কারণও নেই।” তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভবিষ্যতে সাংবাদিকতায় পূর্ণ স্বাধীনতা বজায় থাকবে।
বিদেশে অবস্থানকালীন অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি সশরীরে দেশে না থাকতে পারলেও সারাক্ষণ সবার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। গত ১৬ বছরে সাংবাদিকদের ওপর যে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছে, সে সম্পর্কে আমি অবগত। শুধু সাংবাদিকরাই নন, আমার মা (বেগম খালেদা জিয়া) এবং আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী এই প্রতিহিংসার রাজনীতির শিকার হয়েছেন।”
রাজনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ পরিবেশ ইস্যু নিয়েও কথা বলেন তারেক রহমান। বিশেষ করে দেশের পানি দূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “একের পর এক নদী দূষিত হচ্ছে। এই সংকট নিরসনে জাতীয় সংসদ এবং বিভিন্ন সেমিনারে জোরালো আলোচনা ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”
দেশের তরুণ সমাজকে আগামীর শক্তি উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, “নতুন প্রজন্ম এক বুক আশা নিয়ে তাকিয়ে আছে। এটা সত্য যে তাদের সব প্রত্যাশা হয়তো রাতারাতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে আমরা যদি সবাই মিলে এক হয়ে কাজ করি, তবে জাতিকে সঠিক পথে পরিচালিত করা অবশ্যই সম্ভব।”
অনুষ্ঠানে গণমাধ্যমের শীর্ষ ব্যক্তিত্ব এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...