বিজ্ঞাপন
মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার পর শুকরিয়া আদায় করে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, "আমার মনোনয়ন বাতিলের পেছনে যে গভীর ষড়যন্ত্র হয়েছিল, তা শেষ পর্যন্ত টেকেনি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস ছিল যে এই কূটকৌশল সফল হবে না।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের উদ্দেশ্য কাউকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেওয়া নয়, বরং ভুলত্রুটি সংশোধনের সুযোগ দেওয়া। আইন অনুযায়ী হলফনামায় ভুল থাকলে সম্পূরক হলফনামা দেওয়ার বিধান থাকলেও তাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। জেলা প্রশাসন পরিস্থিতি সামাল দিতে বিষয়টি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠায়, যা না করলে মনোনয়ন বাতিলের কোনো সংগত কারণ ছিল না বলে তিনি দাবি করেন।
ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত অভিযোগকে 'সম্পূর্ণ মিথ্যা' দাবি করে মান্না বলেন, "ইসলামী ব্যাংকের বগুড়া বড়গোলা শাখার এক কর্মকর্তার মাধ্যমে একটি ভুয়া নোটিশ তৈরি করে আমাকে খেলাপি বানানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। বিষয়টি প্রধান কার্যালয়কে জানানোর পর ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও বদলি করা হয়। দুর্ভাগ্যবশত এই সত্যটি গণমাধ্যমে আসেনি।"
প্রতিপক্ষকে ইঙ্গিত করে নাগরিক ঐক্যর এই নেতা বলেন, "কোমরের নিচে আঘাত করে কাউকে হারানোর চেষ্টা করা রাজনীতি নয়। ষড়যন্ত্র করে সাময়িকভাবে বাধা দেওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত জেতা যায় না।" তিনি আরও যোগ করেন, "দল বা ব্যক্তি যত বড়ই হোক, সমগ্রের কাছে সবাই ছোট। এই মানসিকতা না থাকলে গণতন্ত্র কার্যকর হবে না।"
নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করলেও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মান্না। তিনি বলেন, "পুলিশ এখন পর্যন্ত সেভাবে প্রোঅ্যাকটিভ ভূমিকা পালন করছে না। অনেক ক্ষেত্রে তাদের নীরবতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।"
এদিকে বিএনপির সমর্থন প্রসঙ্গে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "যেহেতু আমাকে এই আসনে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, তাই স্বাভাবিক নিয়মেই বিএনপির বর্তমান প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করবেন বলে আমি আশা করি।"
ভোটের মাঠে গণতন্ত্রের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে মান্না বলেন, নির্বাচন কমিশন অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতির পক্ষে অবস্থান নিয়ে গণতন্ত্রের পথকে সুগম করেছে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...