বিজ্ঞাপন
সোমবার (আজ) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনের মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত তৃতীয় দিনের আপিল শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন আশরাফুল আলম শিমুলের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি গোপালগঞ্জ-১ আসনে নির্বাচনি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকার সুযোগ ফিরে পেলেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশরাফুল আলম শিমুলের ছোট ভাই ব্যারিস্টার নাজমুল আলম।
এর আগে গত ৩ জানুয়ারি গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আরিফ-উজ-জামান ওয়ান পার্সেন্ট ভোটারের স্বাক্ষর সংক্রান্ত জটিলতার কথা উল্লেখ করে শিমুলের মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছিলেন। পরে ওই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আশরাফুল আলম শিমুল নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের করেন। শুনানি শেষে কমিশন তাঁর আপিল গ্রহণ করে মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণার আদেশ দেন।
স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত আশরাফুল আলম শিমুলের রয়েছে দীর্ঘ রাজনৈতিক ও জনপ্রতিনিধিত্বমূলক অভিজ্ঞতা। তিনি ২০০৯ সালে উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান, ২০১৪ সালে উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ২০২২ সালে মুকসুদপুর পৌরসভার মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হন। উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এ পর্যন্ত তিনি যে কয়টি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, প্রতিটিতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন এবং কখনো পরাজয়ের মুখ দেখেননি।
শিমুলের জনপ্রিয়তার পেছনে তাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক পরিচিতিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। তাঁর পিতা খায়রুল বাকি মিয়া এলাকায় একজন প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তিনি ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। পিতার সেই রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করে আশরাফুল আলম শিমুলও বর্তমানে এলাকায় শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন।
এদিকে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেড়েছে। অনেকেই মনে করছেন, শিমুলের মাঠে থাকা মানেই গোপালগঞ্জ-১ আসনের নির্বাচনী লড়াই আরও জমে উঠবে।
জনপ্রিয়
বিজ্ঞাপন
পরবর্তী সংবাদ লোড হচ্ছে...